ঢাকা রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে যাদের

বগুড়ায় ২০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

বগুড়ায় ২০ প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত

বগুড়া জেলার ৭টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে জামানত হারিয়েছেন চরমোনাই পীরের নেতৃত্বাধীন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ৭ জন প্রার্থী। এ ছাড়া হেভিওয়েট প্রার্থী নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্নাসহ আরও ১৩ জন প্রার্থী। সদ্য সমাপ্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের ন্যূনতম এক-অষ্টমাংশ না পাওয়ায় তাদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী, কোনো প্রার্থীকে জামানত রক্ষা করতে হলে প্রদত্ত ভোটের অন্তত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ বা আট ভাগের এক ভাগ ভোট পেতে হয়।

রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে নাগরিক ঐক্যের প্রার্থী মাহমুদুর রহমান মান্না (কেটলি প্রতীক) ৩ হাজার ৪২৬ ভোট পেয়েছেন। অথচ এই আসনে ভোট পড়েছে ২ লাখ ৪৮ হাজার ৪৯৩টি। নিয়ম অনুযায়ী জামানত ফিরে পেতে তার প্রয়োজন ছিল ৩১ হাজারেরও বেশি ভোট। এই আসন থেকে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও বগুড়া জেলা সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য শরিফুল ইসলাম জিন্নাহ ও (৪৩৪ ভোট), ইসলামী আন্দোলনের জামাল উদ্দিন ৯১৩ ভোট পেয়ে জামানত হারিয়েছেন।

বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে জামানত হারিয়েছেন ইসলামী আন্দোলনের এবিএম মোস্তফা কামাল পাশা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের মো. আসাদুল হক এবং গণফোরামের মো. জুলফিকার আলী, বগুড়া-৩ (আদমদীঘি-দুপচাঁচিয়া) আসনে জাতীয় পাটির শাহিনুল ইসলাম ও ইসলামী আন্দোলনের শাহজাহান আলী তালুকদার তাদের জামানত রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছেন। বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনেও একই ভাগ্য বরণ করেছেন জাতীয় পাটির শাহীন মোস্তফা কামাল ও ইসলামী আন্দোলনের মুহা. ইদ্রিস আলী।

সবচেয়ে বড় নির্বাচনি এলাকা বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে ৪ লাখ ৯ হাজার ১৯৫টি ভোট পড়লেও এলডিপির খান কুদরত-ই-সাকলায়েন, ইসলামী আন্দোলনের মীর মাহমুদুর রহমান এবং সিপিবির শিপন কুমার রবিদাস ন্যূনতম ভোট পেতে ব্যর্থ হন। এ ছাড়া বগুড়া-৬ (সদর) আসনে জেএসডির আবদুল্লাহ আল ওয়াকি, ইসলামী আন্দোলনের মামুনুর রশিদ এবং বাসদের একমাত্র নারী প্রাার্থী দিলরুবার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে জামানত হারিয়েছেন মুসলিম লীগের আনছার আলী ও ইসলামী আন্দোলনের শফিকুল ইসলাম।

বগুড়া জেলা সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা ফজলুল করিম বলেন, আইন অনুযায়ী মোট প্রদত্ত ভোটের এক-অষ্টমাংশ পেতে ব্যর্থ হওয়ায় এই ২০ প্রার্থী তাদের জামানতের টাকা আর ফেরত পাবেন না।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত