ঢাকা সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ডাকাতি করতে না পেরে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি

ডাকাতি করতে না পেরে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি

সংখ্যালঘুর বাড়িতে ডাকাত দল ঢোকার ৫ মিনিটের মধ্যে রুখে দিল গ্রামবাসী। তবে ডাকাতরা যাওয়ার বেলায় দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে গেছে। গত শনিবার রাত ৮টার দিকে কুষ্টিয়ার খোকসার জানিপুর ইউনিয়নের ঈশ্বরদী গ্রামে জীমুত বাহন বিশ্বাসের বাড়িতে এই ডাকাতির চেষ্টা ও চাঁদার দাবির ঘটনা ঘটে। জীমুত বিশ্বাস কলিমহর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, অসুস্থ গৃহকর্তা ও শিক্ষক জীমুত বাহন বিশ্বাস নিজের ঘরে রাতের খাবার খাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় ৮ জনের মুখবাঁধা ডাকাত দল তার ঘরে ঢুকে পরে। তাদের কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্র আবার কারও হাতে দেশীয় ধারালো অস্ত্র ছিল। এ সময় গৃহকর্তার স্ত্রী সূচিত্রা বিশ্বাস চিৎকার দিলে ডাকাতরা তাকে কাপড় দিয়ে বাঁধার চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে গ্রামবাসী এগিয়ে এলে ডাকাতরা বাড়ির পেছনের মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়। যাবার আগে তারা গৃহকর্তার কাছে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। পরে গৃহকর্তার ফোন পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থল পরিদর্শন করে। জীমুত বাহন বিশ্বাস জানান, ৮ জন ডাকাত তার ঘরে ঢুকে। তাদের প্রত্যেকের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল।

কয়েকজন ডাকাতের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল। অস্ত্রের মুখে ডাকাতরা পরিবারের লোকদের এক ঘরে জিম্মি করার চেষ্টা করে। তাদের চিৎকারে কালীমন্দির এলাকার দোকানে বসা গ্রামবাসী এগিয়ে এলে ৫ মিনিটের মধ্যে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। তবে যাওয়ার আগে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে যায়। কোথায় টাকা পাঠাতে হবে তা ফোনে জানাবে বলে গেছে।

তিনি বলেন, ঈশ্বরদী আশপাশের গ্রামগুলো সংখ্যালঘু অধ্যুষিত। এসব গ্রামে সন্ত্রাসীদের উপদ্রব ছিল না। হঠাৎ করে তার বাড়িতে ডাকাতির হানায় তিনি অনেকটা আশ্চর্য হয়েছেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত