ঢাকা বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রামুতে ৭ ডাকাত আটক, অস্ত্র উদ্ধার

রামুতে ৭ ডাকাত আটক, অস্ত্র উদ্ধার

কক্সবাজারের রামুতে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্র, গুলি ও বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামাদিসহ সাত ডাকাতকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আটকরা হল- আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশি, হেলাল উদ্দিন, আবুল কাশেম, মো. আলমগীর, শফিউল করিম, সুবাস প্রকাশ শুভ রাজ ও শেফায়েত নুর। আটকরা সবাই রামু উপজেলার রশিদনগর ইউনিয়নের বড় ধলিরছড়াসহ বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।

রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, সম্প্রতি রামুর যোগাযোগে দুর্গম কয়েকটি এলাকায় ছিনতাইসহ নানা অপরাধের মাত্রা বেড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে আইনশৃংখলা নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বিশেষ দল গঠন করে তৎপরতা অব্যাহত রাখে।

এরই প্রেক্ষিতে গতকাল মঙ্গলবার ভোরে রামুর রশিদনগর ইউনিয়নের বড় ধলিরছড়া এলাকায় চিহ্নিত ডাকাত আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশির বসত ঘরে কতিপয় লোকজন জড়ো হয়ে ডাকাতি প্রস্তুতির খবর পায় পুলিশ। পরে পুলিশের একটি দল বসত ঘরটি ঘিরে ফেললে উপস্থিতি টের পেয়ে ১০-১৫ জন সন্দেহজনক লোক দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা চালায়।

এ সময় ধাওয়া দিয়ে ৭ জনকে আটক করতে সক্ষম হলেও অন্যরা পালিয়ে যায়। ওসি আরও জানান, পরে বসত ঘরটি তল্লাশি চালিয়ে দেশিয় তৈরি ১টি বন্দুক, ৯টি গুলি, ৫টি গুলির খালি খোসা, ৩টি কিরিচ, ১টি গ্রান্ডিং মেশিন, ১টি চাইনিজ কুড়াল, ৯টি চকলেট বোমা, ৫টি অস্ত্র তৈরির কাগজের নকশাসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জামাদি উদ্ধার করা হয়।

ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, আটকদের মধ্য আমির হোসেন ওরফে কালাবাঁশি একজন চিহ্নিত ডাকাত। সে নিজের নামে এক গ্রুপ তৈরি করে এলাকায় নানা অপরাধ সংঘটনের সঙ্গে জড়িত ছিল। তার বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ নানা অভিযোগে ৬টির বেশি মামলা আছে। এছাড়া অন্যদের বিরুদ্ধেও একাধিক মামলাসহ নানা অভিযোগ রয়েছে। আটকদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে থানায় মামলা করা হয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত