ঢাকা রোববার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনায় কর্মশালা

জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনায় কর্মশালা

ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় জেলা বরগুনাকে কেন্দ্র করে জলবায়ু সহনশীল উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি)-এর উদ্যোগে, বরগুনা জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় গতকাল শনিবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সুবর্ণ জয়ন্তী সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ‘উপকূলীয় অঞ্চলের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব এবং উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ ও করণীয়’ শীর্ষক এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির মহাপরিচালক ও সরকারের সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন বরগুনা জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার। কর্মশালার সূচনা বক্তব্য রাখেন জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমির পরিচালক (রিসার্চ অ্যান্ড পাবলিকেশন) ড. প্রকৌশলী মো. আ. রশীদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম, জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) অনিমেষ বিশ্বাস, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সজল চন্দ্র শীল এবং সিভিল সার্জন ডা. আবুল ফাত্তাহ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারী কমিশনার তানভীর তাজওয়ার। কর্মশালায় সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী, বরগুনার সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ভয়াবহ প্রভাব মোকাবিলা এবং উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বাস্তব চ্যালেঞ্জ বিবেচনায় বরগুনাকে একটি বিশেষায়িত জেলা হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বরগুনা ক্রমবর্ধমান হুমকির মুখে রয়েছে। তাই উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থাকে সমন্বিতভাবে জলবায়ু সহনশীল উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।’

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক মিজ তাছলিমা আক্তার বলেন, বরগুনা দীর্ঘদিন ধরে উন্নয়ন অগ্রযাত্রা থেকে পিছিয়ে থাকা একটি জনপদ। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, নদীভাঙন, লবণাক্ততা বৃদ্ধি এবং জীবিকা সংকট এ জেলার মানুষের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ‘মেগা প্রকল্পসহ যেকোনো উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের আগে প্রয়োজনভিত্তিক সমীক্ষা ও প্রকল্পের উপাদানসমূহ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা নিশ্চিত করা গেলে টেকসই উন্নয়ন প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত