
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রনায়ক শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের নিয়ে ভাবতেন। বেগম খালেদা জিয়াও ভেবেছেন। তাদের সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও তা অনুধাবন করছেন। তাই সরকারের যাত্রায় ১২ হাজার কৃষকের সুদসহ কৃষি ঋণ মওকুফ করেছেন। তিনি মনে করেন দেশের অর্থনীতির মেরুদন্ড প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষক। তিনি কৃষকদের জন্য কৃষি কার্ডের সূচনা করেছেন যাতে সুলভ মূল্যে সার বীজসহ বিভিন্ন সেবা পাবেন কৃষকরা। কৃষির মান উন্নয়নে সারাদেশে খাল খনন পুনঃখননের কাজ চলছে।
কৃষি ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করতে সেচ পাম্পে বিদ্যুত সাশ্রয়ে সোলারের ব্যবস্থা, কোল্ড স্টোরেজসহ বিভিন্ন প্রজেক্ট হাতে নিচ্ছেন। কৃষকদের উন্নয়নেই দেশ উন্নত এবং সমৃদ্ধশালী হবে। দেশের অর্থনীতিতে যাতে কৃষকরা জোরালো ভূমিকা রাখতে পারে সে লক্ষ্যেই কাজ করছে সরকার। প্রোগ্রাম অন এগ্রিকালচারাল এন্ড রুরাল ট্রান্সফরমেশন ফর নিউট্রিশন এন্টারপ্রেনরশিপ এন্ড রেসিলিয়েন্স ইন বাংলাদেশ (পার্টনার) এর আওতায় হাটহাজারীতে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি এসব কথা বলেন।