
নোয়াখালীতে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যা বুলু জামায়াতের ইসলামের আমিরের ডা. শফিকুল ইসলামের প্রশংসার পাশাপাশি ২০০৯ সালের জামাতের রাজনৈতিক ভুলেরও সমালোচনা করলেন।
তিনি নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় জুলাই শহিদ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও আহতদের মধ্যে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্যা বুলু প্রধান অতিথির বক্তব্যএসব কথা বলেন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে বেগমগঞ্জ উপজেলায় প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা নিবার্হী কায়েসুর রহমানের সভাপতিত্বে তিনি আরও বলেন, জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সৌদি আরবে হজ্জ পালন সময় দেখা সাক্ষাৎ কথা হয়েছে, আমিরের ভালো কাজের প্রশংসা করে, সেটি এক বিষয়।
তবে ২০০৯ সালে জামায়াতের ইসলামের রাজনৈতিক ভুলের কারণেই আওয়ামী লীগ টানা ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েমের সুযোগ পেয়েছে।
তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, জনগণের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশকে স্বাভাবিক রাজনৈতিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মুক্তিযোদ্ধার সময় মেজর জিয়াউর রহমানের ঘোষণা মধ্যে দিয়ে স্বাধীনতা ঝপিয়ে পড়ে, ২০২৪ সেনাবাহিনীর আওয়ামী লীগের ফ্যাসীবাদ থেকে মুখ ফিরে আনলে, জনগণের পক্ষে গেলে ২০২৪ জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে। তিনি সেনাবাহিনীকে সম্মান শ্রদ্ধা করে, তাদের সমালোচনা করা ঠিক হবে না। তিনি আরও বলেন রাজনৈতিক দলগুলোর ঐক্য প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে ১৬ জুলাইয়ের শহিদদের স্মরণে আলোচনা সভায় আহতদের মধ্যে অনুদান বিতরণ করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে জেলা বিএনপির সদস্য ও জুলাই আন্দোলন আহত যোদ্ধা ওমর শরীফ সানিয়াতের মা শামীম বরকত লাকী, উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাক্ষা চন্দ্র দাস সদস্য সচিব মাহফুজুল হক আবেদ, পৌরসভার বিএনপির আহ্বায়ক জহির উদ্দিন হারুন সদস্য সচিব মো. মহসিন, বেগমগঞ্জ উপজেলায় জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা আবু জায়েদ, সাংবাদিক ফোরাম সভাপতি মানিক ভূঁইয়া জুলাই শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত এবং আহত অনুদান প্রদান করা হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠন নেতারাসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন বিভাগের কর্মকতাগন উপস্থিত ছিলেন। অপর দিকে বিকালে বুলু চৌমুহনী বড় জামে মসজিদে লিফট ফিতা কেটে দোআ মুনাজাত মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত চৌমুহনী জামে মসজিদে ইমাম শফিউল্লাহ সাহেব, মোয়াজেন জাকির হোসেন, চৌমুহনী সাধারণ ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল খায়ের, জামে মসজিদ সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পৌরসভার বিএনপির আহ্বায়ক জহির উদ্দিন হারুন, কোষাধ্যক্ষ মাহফুজুল হক আবেদ, ব্যবসায়ী নাসিমুল গনি মহল, নাজমুল গনি মান্না, মাওলানা ইউছুফ জিরতলী নিবাসী, মোস্তফা মিয়াসহ সাংবাদিক ফোরাম সভাপতি মানিক ভূঁইয়াসহ অনেকই।