ঢাকা শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ইজিবাইক চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

ইজিবাইক চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেপ্তার

ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এলাকা থেকে চুরি যাওয়া একটি ইজিবাইক উদ্ধার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে সংঘবদ্ধ ইজিবাইক চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বৃহস্পতিবার ঠাকুরগাঁও বিচারিক আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। একই দিন বেলা আড়াইটার দিকে পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে সংগৃহীত সিসিটিভি ফুটেজ পর্যবেক্ষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সঙ্গে জড়িত চক্রটিকে শনাক্ত করা হয়। এরপর প্রথমে গড়েয়া বাজার এলাকা থেকে মো. মোমিন (৫৪) ও মো. বাদল নামের দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে চোরাই ইজিবাইক কেনাবেচায় জড়িত আনোয়ার হোসেন (৫৩) ও তাসলিম বাবুকে (৩২) গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার তাসলিম বাবুর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার গোয়ালডিহি এলাকায় অভিযান চালানো হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাই ইজিবাইকের ক্রেতা পালিয়ে গেলেও তাঁর বাসা থেকে চুরি যাওয়া ইজিবাইকটি উদ্ধার করা হয়। বাদী ইজিবাইকটি নিজের বলে শনাক্ত করেছেন।

মামলা ও ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ৩ জুলাই সকাল নয়টার দিকে ঠাকুরগাঁওয়ের বাসিন্দা মো. মাসুদ রানা (২১) তার ইজিবাইক নিয়ে বের হন। সকাল ১০টার দিকে তার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে বেলা ১১টার দিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে যান। হাসপাতালের টিকাদান কেন্দ্রের গেটের সামনে ইজিবাইকটি রেখে বাবাকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করান মাসুদ। বেলা ১১টা ৩৫ মিনিটে বের হয়ে দেখেন তাঁর ইজিবাইকটি নেই। পরে এ বিষয়ে ঠাকুরগাঁও সদর থানায় মামলা করা হয়।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. খোদাদাদ হোসেন বলেন, প্রাথমিক তদন্তে গ্রেপ্তার আসামিদের এই চুরির সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। অভিযানে চোরাই বাহনটি বিক্রির সঙ্গে জড়িত পালিয়ে যাওয়া ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত