ঢাকা শুক্রবার, ১৪ আগস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

চাটমোহরে নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী

চাটমোহরে নিত্যপণ্যের বাজার ঊর্ধ্বমুখী

পাবনার চাটমোহরে নিত্যপণ্যের বাজারে যেন প্রতিনিয়ন বেড়ে চলেছে।

নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে প্রতিদিনের বাজার। সবজি থেকে মাছ, মাংস থেকে ডিম সবকিছুই ঊর্ধ্বমুখী। এরইমধ্যে ৩২০ টাকা কেজি, পার হয়ে গেছে কাঁচা মরিচ।

চাটমোহর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, গোল আলু ২৫ টাকা, বেগুন ১২০ টাকা,করলা ১০০ টাকা, পটোল ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ৫০ টাকা ঝিঙা প্রতিকেজি ৮০ টাকা, ওল কচু ১০০ টাকা, পেঁয়াজ ৬০ টাকা, রসুন ১২০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, মুখি বা কুড়ি কচু প্রতিকেজি ৬০ টাকা। লেবু ৪০ টাকা, পেঁপে ৪৫ টাকা, শসা ৯০ টাকা, লাল শাক ৮০ টাকা, গাজর ১৮০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, ঢেড়স ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া প্রতিটি লাউ ৬০ টাকা, চাল কুমড়া ৪০ টাকা, কাঁচকলা ৪০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির ডিম ৬০ টাকা হালি, দেশি হাঁসের ডিম ৭০ টাকা হালি, ফার্মের মুরগির ডিম ৪৫ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগি ২৬০ টাকা, সোনালি/কক ৩৪০ টাকা, লেয়ার ৩৫০ টাকা কেজি দ্বারা বিক্রি হচ্ছে। দেশি মুরগির দাম কেজি ৫৫০ টাকা। খাসির মাংস ১৩’শ, গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

চলনবিলের দেশি মাছ ৮০০ টাকা থেকে ১৬০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। চাষের মাছ প্রকারভেদে ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি।

ক্রেতারা লাগামহীন নিত্যপণ্যের দাম ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় বাজার সিন্ডিকেটকে দায়ী করেছেন। কাঁচা তরকারি বিক্রেতা সালাম ও নুরুল জানান, বিরতিহীনভাবে বৃষ্টির কারণে সবজি খেত নষ্ট হওয়ার ফলে দাম কিছুটা বেড়েছে। সেপ্টেম্বর মাস থেকে তরকারির বাজার স্বাভাবিক হবে বলে তারা জানান।

চাটমোহর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মোখলেছুর রহমান বিদ্যুৎ জানান, বন্যা এবং বৃষ্টির কারণে প্রতিবছর জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত কাঁচা তরকারির দাম বেড়ে যায়।

আমরা বাজার স্থিতিশীল রাখতে কাজ করছি। কাঁচা বাজার ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার ব্যাপারে চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানান, আমরা বাজার মনিটরিং করছি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত