
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার দাউদকান্দিতে একটি হাইস মাইক্রোবাস থেকে ২৫১ কেজি গাঁজাসহ বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে দাউদকান্দি মডেল থানা পুলিশ। উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা হবে জানিয়েছে পুলিশ। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের উপজেলার স্বল্প পেন্নাই ঈসাখাঁ সিএনজি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ২৫১ কেজি গাঁজাসহ নেশা জাতীয় অন্যান্য মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কালো রঙের একটি হাইস মাইক্রোবাস জব্দ করেছে পুলিশ।
দাউদকান্দি মডেল থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামশুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযানে ২৫১ কেজি গাঁজা, ভারতীয় ফেয়ারডিল-১৫৭৫ বোতল এবং ভারতীয় এস্কাফ ১২০০ বোতল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা হবে।
পুলিশ জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলামের নেতৃত্বে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পৌরসভাস্থ সেন্দি তাসফিন সিএনজি পাম্পের সামনে ঢাকামুখি লেনে অস্থায়ী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশী চলাকালে একটি কালো রঙের হাইস মাইক্রোবাস পুলিশের উপস্থিতি দেখে দ্রুত গতিতে পালানোর চেষ্টা করে। এসময় দাউদকান্দি বিশ্বরোডে ইউটার্ন করিয়া, কুমিল্লার দিকে দ্রুত পালিয়ে যওিয়ার সময় পুলিশ গাড়িটির পিছু ধাওয়া করিলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের স্বল্প পেন্নাই ঈসাখাঁ সিএনজি পেট্রোল পাম্পের সামনে মহাসড়কে হাইস গাড়িটি ফেলে চালক পালিয়ে যায়। এসময় পুলিশ গাড়িতে তল্লাশী চালিয়ে কালো প্লাস্টিকের প্যাকেটে মোড়ানো ২৫১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া কালো কাগজে মোড়ানো ভারতীয় ফেয়ারডিল- ১৫৭৫ বোতল এবং বাদামি প্লাস্টিকের কাগজে মোড়ানো ৪৮টি প্যাকেটে ভারতীয় এস্কাফ ১২০০ বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। এবং মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত কালো রঙের একটি হাইস মাইক্রোবাস জব্দ করেছে পুলিশ।
উদ্ধারকৃত মাদকের মূল্য প্রায় ১ কোটি টাকা হবে জানিয়েছে পুলিশ।
দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাজেদুল ইসলাম বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে গাড়ির চালক ও মালিকের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। পলাতক চালককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। একই সঙ্গে মাদকের এই বড় চালানের সঙ্গে কারা জড়িত এবং মাদকগুলো কোথা থেকে আনা হয়েছে বা কোথায় নেওয়া হচ্ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।