
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় আশাদুল হক মিন্টু নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। জরিমানার টাকা অনাদায়ে তাকে আরও এক মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
গতকাল বৃহস্পতিবার চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১ম আদালত) সত্যব্রত শিকদার এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় চুনুরীপাড়ার মৃত রমজান আলীর ছেলে। আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ মাদকবিরোধী অভিযানে মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের ডান পকেট থেকে তিনটি পলিথিনে মোড়ানো হেরোইন উদ্ধার করা হয়। এসব প্যাকেটে মোট ১৩৫ গ্রাম হেরোইন ছিল। এছাড়া তার বাম পকেট থেকে ১৮টি প্যাথিডিন ইনজেকশনের অ্যাম্পুল উদ্ধার করা হয়। জব্দতালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের আনুমানিক মূল্য ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। প্যাথিডিন ইনজেকশনের মূল্য ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় মিন্টুর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।