
হিমালয়ের পাদদেশে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে নেপাল ও প্রতিবেশী চীনের তিব্বত অঞ্চলে মৃতের সংখ্যা ৩৫০ ছাড়িয়েছে। ভয়াবহ এই বিপর্যয়ের পরও ঝুঁকি পুরোপুরি কাটেনি। ওই অঞ্চলে আরও একটি বিধ্বংসী বন্যার আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কাঠমান্ডুভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ইন্টিগ্রেটেড মাউন্টেন ডেভেলপমেন্টের জলবায়ু ও পরিবেশগত ঝুঁকি বিভাগের প্রধান চিয়াংগং ঝাং এই দ্বিতীয় দফা বন্যার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বাধা রয়েছে। সেটি ভেঙে গেলে আবারও বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে।
তিনি বলেন, নেপাল-চীন সীমান্তের একটি নদীর উজানে এখনো ধ্বংসাবশেষের বাধা রয়েছে। সেটি ভেঙে গেলে আবারও বড় ধরনের বন্যা দেখা দিতে পারে।
নেপাল-তিব্বত সীমান্তের সাম্প্রতিক এই বিপর্যয় সেই ঝুঁকির ভয়াবহ দিকটি আবারও সামনে এনেছে।
হিমবাহ ধস, আকস্মিক বন্যা এবং পাহাড়ি নদীতে ধ্বংসাবশেষের প্রবল স্রোত একসঙ্গে তৈরি হলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হতে পারে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেলে নেপাল পুলিশ জানিয়েছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৫৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনো নিখোঁজ রয়েছে প্রায় এক হাজার মানুষ। নিখোঁজদের মধ্যে বিদেশি পর্যটকের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্য।
সূত্র: এএফপি
আবা/এসআর/২৬