ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রাশিয়ায় কারখানার আগুনে বাংলাদেশি নিহত

রাশিয়ায় কারখানার আগুনে বাংলাদেশি নিহত

রাশিয়ার দূর পূর্বাঞ্চলীয় আমুর অঞ্চলে আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সের (এজিসিসি) আগুনে নিহত ১৫ জনের মধ্যে একজন বাংলাদেশি রয়েছেন বলে জানিয়েছে মস্কোতে বাংলাদেশ দূতাবাস।

এ ঘটনায় আরও একজন নিখোঁজ এবং সাতজন গুরুতর আহত হওয়ার তথ্য দিয়েছেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) মিজানুর রহমান।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ওই বাংলাদেশি কর্মীর লাশ উদ্ধারের তথ্য দিয়ে তিনি বলেন, নিহত জাকির হোসেনের বাড়ি কিশোরগঞ্জের ভৈরবে। নিখোঁজ থাকা বাংলাদেশি কর্মী মো. আলাল হোসেন রাজুর বাড়ি মেহেরপুরের গাংনিতে।

মঙ্গলবারের আগুনের এ ঘটনায় রাজু এখনও নিখোঁজ বলে জানান দূতাবাসের প্রথম সচিব। বলেন, কিছু লাশ বেশি পুড়ে যাওয়ায় এখনও সেগুলো শনাক্ত করা সম্ভব হইনি। সেগুলোর মধ্যে রাজুর লাশ থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রাশিয়ার আমুর অঞ্চলের সভোবোদনি শহরের কাছে অবস্থিত আমুর গ্যাস কেমিক্যাল কমপ্লেক্সে (এজিসিসি) মঙ্গলবার আগুনের এ ঘটনা ঘটে।

রয়টার্সের খবরে বলা হয়, বুধবার বিবৃতিতে প্রথমে চীনের ছয় নাগরিকসহ ৭ জনের মৃত্যুর খবর দেয় এজিসিসি। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জনে দাঁড়িয়েছে বলে বৃহস্পতিবার নিজেদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে তথ্য দিয়েছে তারা। সেখানে বলা হয়, মৃতদের ১৪ জনই বিদেশি।

দ্য মস্কো টাইমসের বুধবারের খবরে বলা হয়, এজিসিসি রাশিয়ার পেট্রোকেমিক্যাল জায়ান্ট সিবু এবং চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন তেল ও গ্যাস কোম্পানি সিনোপেকের যৌথ উদ্যোগে নির্মিতব্য।

প্রায় ১০ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পটি বিশ্বের অন্যতম বড় পলিমার উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা চলছে। আগামী বছরের শুরুতে চালুর আগে সেখানে শেষ ধাপের পরীক্ষা চলছিল।

এজিসিসি বলছে, পাইরোলাইসিস ইউনিটের একটি সহায়ক অংশ থেকে প্রথমে আগুনের সূত্রপাত; পরে তা ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুনে কমপ্লেক্সের মূল যন্ত্রপাতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

আহতদের অবস্থা বর্ণনা করে দূতাবাসের কর্মকর্তা মিজানুর বলেন, সাতজন গুরুতর আহত বাংলাদেশি কর্মীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে মস্কোতে অবস্থিত স্পেশালাইজড হাস্পাতালে স্থানান্তরের প্রক্রিয়া চলছে যাদের মধ্যে ৬ জন আইসিইউতে রয়েছেন।

তিনি বলেন, জাকির হোসেনের মৃতদেহ বাংলাদেশে প্রেরণের বিষয়ে দূতাবাস থেকে যোগাযোগ করা হয়েছে। উক্ত কোম্পানি দূতাবাসের তত্ত্বাবধানে লাশ পাঠানোর উদ্যোগ নিচ্ছে।

আবা/এসআর/২৬

“এবং পরে তার বকেয়া পাওনা এবং ক্ষতিপূরণের বিষয়ে দূতাবাস এলএলসি সিনোপেক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপ কোম্পানির সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখবে। দূতাবাস ইতোমধ্যে মৃতদেহ প্রেরণের জন্য প্রত্যায়ণপত্র এবং আনুষঙ্গিক কাগজপত্র প্রস্তুত করছে।”

রাশিয়া,আগুন,বাংলাদেশি
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত