প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ০২ অক্টোবর, ২০২৬
আজ দেশে পালিত হচ্ছে জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস। এ বছরের মূল প্রতিপাদ্য— 'উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে উদ্ভাবন, প্রযুক্তি ও দক্ষতার সমন্বয়'। সময়ের বাস্তবতায় প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিশ্ব অর্থনীতি দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে, প্রযুক্তি বদলে দিচ্ছে উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের ধরন, আর আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতা ক্রমেই নির্ভর করছে মান, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী সক্ষমতার ওপর। ফলে বাংলাদেশের জন্য উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এখন শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির বিষয় নয়; এটি ভবিষ্যৎ প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতারও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।
উৎপাদনশীলতার সহজ অর্থ হলো— নির্দিষ্ট পরিমাণ শ্রম, সময়, অর্থ, কাঁচামাল ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে সর্বোচ্চ কার্যকর ফল অর্জন করা। একই শ্রমঘণ্টায় উন্নত মানের বেশি পণ্য তৈরি, কম কাঁচামাল নষ্ট করে উৎপাদন সম্পন্ন করা কিংবা কম সময়ে উন্নত সেবা দেওয়া— সবই উৎপাদনশীলতার উদাহরণ। তাই উৎপাদনশীলতা বাড়ানোর অর্থ শুধু কর্মীদের বেশি কাজ করানো নয়; বরং কাজের পদ্ধতি উন্নত করা, অপচয় কমানো এবং প্রযুক্তি ও দক্ষতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো।
অর্থনীতির ভিত শক্ত করতে উৎপাদনশীলতা : একটি দেশের সম্পদ সীমিত। সেই সীমিত সম্পদ কতটা দক্ষতার সঙ্গে ব্যবহার করা যাচ্ছে, তার ওপর অর্থনীতির সামগ্রিক সক্ষমতা অনেকাংশে নির্ভর করে। উৎপাদন ব্যয় কমানো, পণ্যের মান বাড়ানো, ব্যবসার প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে উৎপাদনশীলতার ভূমিকা রয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে শ্রমনির্ভর উৎপাদনের ওপর উল্লেখযোগ্যভাবে নির্ভর করেছে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক শিল্প দেশের রপ্তানি আয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের বাস্তবতা বদলেছে। এখন শুধু কম শ্রমব্যয় দিয়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন। উন্নত মান, দ্রুত সরবরাহ, পরিবেশগত মানদণ্ড, প্রযুক্তি, দক্ষতা এবং উৎপাদন ব্যয়— সবকিছুর সমন্বিত সক্ষমতা প্রয়োজন।
বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক বিশ্লেষণেও বাংলাদেশের রপ্তানি বহুমুখীকরণ, প্রযুক্তি গ্রহণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তৈরি পোশাকের বাইরে চামড়াজাত পণ্য, জুতা, হালকা প্রকৌশল, প্লাস্টিক ও কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণসহ বিভিন্ন খাতে সম্ভাবনা রয়েছে। এসব খাতকে আরও দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে পারলে দেশের অর্থনীতিতে নতুন মূল্য সংযোজনের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে।
উদ্ভাবনের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে : উদ্ভাবনকে অনেক সময় শুধু নতুন কোনো যন্ত্র বা বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। বাস্তবে এর পরিধি অনেক বিস্তৃত। একটি প্রতিষ্ঠানে কাজের ধাপ সহজ করা, উৎপাদনে সময় কমানো, বিদ্যুৎ বা কাঁচামালের অপচয় কমানো, পণ্যের মান উন্নত করা কিংবা সেবা প্রদানের নতুন পদ্ধতি তৈরি করাও উদ্ভাবনের অংশ।
বাংলাদেশের কর্মক্ষেত্রে এমন পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন, যেখানে কর্মীদের নতুন ধারণা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। অনেক সময় একটি প্রতিষ্ঠানের কর্মীরাই উৎপাদন প্রক্রিয়ার দুর্বলতা সবচেয়ে ভালোভাবে বুঝতে পারেন। তাদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে ব্যবস্থাপনার অংশ করা গেলে ছোট ছোট পরিবর্তনের মাধ্যমেও বড় ধরনের দক্ষতা অর্জন সম্ভব। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণাপ্রতিষ্ঠান ও শিল্প খাতের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতে হবে। গবেষণাগারে তৈরি জ্ঞান যদি শিল্প ও সেবাক্ষেত্রে প্রয়োগ করা না যায়, তাহলে তার অর্থনৈতিক সম্ভাবনা সীমিত থেকে যায়। গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বাস্তব উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করাই হতে পারে আগামী দিনের গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
প্রযুক্তি হোক উৎপাদনশীলতার হাতিয়ার : প্রযুক্তির ব্যবহার বর্তমানে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান উপায়। তথ্যপ্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় উৎপাদন, তথ্য বিশ্লেষণ, ডিজিটাল ব্যবস্থাপনা ও আধুনিক যন্ত্রপাতি কাজের গতি ও নির্ভুলতা বাড়াতে পারে। ব্যবসায় তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগও তৈরি হয়।
তবে প্রযুক্তি কেনা আর প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার এক বিষয় নয়। নতুন যন্ত্রপাতি স্থাপন করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না। প্রয়োজন প্রশিক্ষিত কর্মী, নিরবচ্ছিন্ন অবকাঠামো, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণ, তথ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা। বাংলাদেশের উৎপাদন খাত নিয়ে বিশ্বব্যাংকের গবেষণাতেও প্রযুক্তি গ্রহণের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানের কর্মদক্ষতার সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে। ফলে প্রযুক্তিকে প্রদর্শনীর বিষয় না বানিয়ে উৎপাদনের বাস্তব সমস্যা সমাধানের উপযোগী করে ব্যবহার করতে হবে।
দক্ষ মানবসম্পদই বড় সম্পদ : যেকোনো প্রযুক্তির কার্যকারিতা শেষ পর্যন্ত মানুষের দক্ষতার ওপর নির্ভরশীল। একটি আধুনিক যন্ত্র বা সফটওয়্যার ব্যবহারের জন্য প্রশিক্ষিত কর্মী না থাকলে বিনিয়োগের পূর্ণ সুফল পাওয়া সম্ভব নয়। এ কারণে কারিগরি ও পেশাগত শিক্ষার প্রসার, কর্মক্ষেত্রভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং নিয়মিত দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ বাড়াতে হবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যে শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে, তার সঙ্গে শিল্প ও শ্রমবাজারের বাস্তব চাহিদার সামঞ্জস্য থাকা জরুরি।
বর্তমান সময়ে শুধু প্রযুক্তিগত জ্ঞান যথেষ্ট নয়। সমস্যা সমাধান, সময় ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ, দলগত কাজ, নেতৃত্ব, সৃজনশীলতা এবং পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সক্ষমতাও কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তরুণদের দক্ষতায় বিনিয়োগ : বাংলাদেশের তরুণ জনগোষ্ঠী দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু তরুণদের কর্মক্ষম জনশক্তিতে পরিণত করতে হলে তাদের বাজারমুখী ও ভবিষ্যৎমুখী দক্ষতা দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষা, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি, প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে বাস্তব কাজ শেখার সুযোগ বাড়ানো প্রয়োজন। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সময় দক্ষতার যে ব্যবধান তৈরি হয়, তা কমাতে শিল্প ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও কার্যকর অংশীদারত্ব দরকার।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির প্রসারের ফলে ভবিষ্যতে অনেক কাজের ধরন পরিবর্তিত হতে পারে। তাই তরুণদের এমন দক্ষতায় প্রস্তুত করতে হবে, যা প্রযুক্তির সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার পাশাপাশি প্রযুক্তিকে কাজে লাগানোর সক্ষমতাও তৈরি করবে। মানুষের সৃজনশীলতা, বিচার-বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতার সঙ্গে প্রযুক্তির সমন্বয়ই ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।
কৃষিতে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ : বাংলাদেশের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে কৃষির অবদান গুরুত্বপূর্ণ। আধুনিক কৃষিযন্ত্র, উন্নত বীজ, কার্যকর সেচব্যবস্থা, মাটির গুণাগুণ বিশ্লেষণ, আবহাওয়ার তথ্য এবং রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার কৃষকের সময় ও ব্যয় কমাতে পারে। তবে কৃষির উন্নয়নকে শুধু মাঠের ফলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। উৎপাদনের পর সংরক্ষণ, পরিবহন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণেও দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন। কৃষিপণ্যের অপচয় কমিয়ে মূল্য সংযোজন করতে পারলে কৃষক ও ভোক্তা— উভয়ই উপকৃত হওয়ার সুযোগ রয়েছে।
কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের মধ্যে কার্যকর সংযোগ তৈরি হলে দেশের কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি গ্রামীণ কর্মসংস্থানও বাড়তে পারে।
শিল্পে অপচয় কমানোই বড় চ্যালেঞ্জ : শিল্প উৎপাদনে কাঁচামালের অপচয়, যন্ত্রপাতির অকার্যকর ব্যবহার, অতিরিক্ত উৎপাদন সময়, দুর্বল মাননিয়ন্ত্রণ এবং সরবরাহব্যবস্থার জটিলতা ব্যয় বাড়িয়ে দেয়। এসব সমস্যা চিহ্নিত করে প্রতিটি উৎপাদন ধাপ পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত হিসাব করতে হবে— কোন কাজে কত সময় লাগছে, কোথায় সম্পদের অপচয় হচ্ছে, কোন পর্যায়ে প্রযুক্তি প্রয়োগ করা যায় এবং কোথায় কর্মীদের অতিরিক্ত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। তথ্যভিত্তিক ব্যবস্থাপনা সিদ্ধান্ত গ্রহণকে আরও কার্যকর করতে পারে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রযুক্তি গ্রহণে সহায়তা, প্রশিক্ষণ, পরামর্শ এবং অর্থায়নের সুযোগ সহজ করা গেলে উৎপাদনশীলতার সুফল আরও বিস্তৃত পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব।
সরকারি সেবায়ও চাই দক্ষতা : জাতীয় উৎপাদনশীলতার সঙ্গে সরকারি সেবার দক্ষতারও সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে। একটি সেবা পেতে অপ্রয়োজনীয় সময়, কাগজপত্র বা একাধিক দপ্তরে যাওয়ার প্রয়োজন হলে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীল সময় নষ্ট হয়। ডিজিটাল সেবা, তথ্যের সমন্বিত ব্যবহার, সহজ প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং দায়িত্বের সুস্পষ্ট বণ্টন নাগরিক সেবাকে দ্রুত ও কার্যকর করতে পারে। সরকারি প্রতিষ্ঠানেও সময় ও সম্পদের ব্যবহার নিয়মিত মূল্যায়নের সংস্কৃতি গড়ে তোলা প্রয়োজন।
শ্রমিকের কল্যাণকে গুরুত্ব দিতে হবে : উৎপাদনশীলতার সঙ্গে শ্রমিকের নিরাপত্তা, মর্যাদা ও কল্যাণের সম্পর্ক অস্বীকার করার সুযোগ নেই। নিরাপদ কর্মপরিবেশ, ন্যায্য মজুরি, যথাযথ বিশ্রাম, স্বাস্থ্যসুরক্ষা এবং দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ কর্মীদের সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। উৎপাদনশীলতার লক্ষ্য হওয়া উচিত প্রযুক্তি ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে শ্রমকে আরও কার্যকর করা— শ্রমিকের ওপর অযৌক্তিক চাপ সৃষ্টি করা নয়। কর্মীদের অভিজ্ঞতা ও পরামর্শকে গুরুত্ব দিলে প্রতিষ্ঠান তার বাস্তব সমস্যাগুলোর কার্যকর সমাধানও পেতে পারে।
প্রয়োজন সমন্বিত পরিকল্পনা : উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সরকারের পাশাপাশি শিল্পমালিক, উদ্যোক্তা, শ্রমিক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণাসংস্থার সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
নীতিমালা প্রণয়নের পাশাপাশি তার বাস্তব প্রয়োগ এবং ফলাফল পরিমাপের ব্যবস্থা থাকতে হবে। প্রতিটি খাতে উৎপাদনশীলতার পরিমাপযোগ্য সূচক নির্ধারণ করা যেতে পারে। উৎপাদন ব্যয়, সময়, মান, কাঁচামালের ব্যবহার, অপচয়, প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও কর্মীদের দক্ষতার মতো বিষয় নিয়মিত মূল্যায়ন করলে কোথায় উন্নতির সুযোগ রয়েছে তা স্পষ্ট হবে।
জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস ২০২৬ আমাদের অর্থনৈতিক চিন্তায় একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আনে— পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সক্ষমতা বাড়াতে হলে নতুন জ্ঞান ও নতুন পদ্ধতি গ্রহণের মানসিকতা তৈরি করতে হবে। উদ্ভাবনের সুযোগ, প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং দক্ষতা অর্জনের ধারাবাহিকতা একসঙ্গে এগোলে দেশের বিভিন্ন খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে।
উৎপাদনশীলতার সুফল শুধু কারখানার উৎপাদন বা ব্যবসার মুনাফায় সীমাবদ্ধ নয়; এর প্রভাব কর্মসংস্থান, পণ্যের মান, উদ্যোক্তার সক্ষমতা, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং মানুষের জীবনমানেও পড়তে পারে। তাই এবারের দিবসের প্রতিপাদ্যকে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে কর্মক্ষেত্রে দক্ষতা, উদ্ভাবনী চিন্তা ও প্রয়োজনভিত্তিক প্রযুক্তি ব্যবহারের একটি দীর্ঘমেয়াদি সংস্কৃতিতে রূপ দেওয়া সময়ের দাবি।
লেখক : কলাম লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক