
ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি যদি ভেঙে যায়, তবে দেশটির হরমুজ প্রণালীর সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এ পরিকল্পনার বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্র সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। সূত্রগুলো জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী, দক্ষিণ আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরে ইরানের সক্ষমতা ধ্বংস করাই এই পরিকল্পনার লক্ষ্য। বিশেষ করে ইরানের ছোট দ্রুতগামী আক্রমণকারী নৌযান, মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম; যা ব্যবহার করে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, সেগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে। ইরানও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে ইরানে হামলা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সমপরিমাণ পাল্টা জবাব দেওয়া হবে। দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাঈল সাকাব এসফাহানি বলেন, শত্রুপক্ষ যদি আবারও কোনো ভুল করে, তবে আমাদের কৌশল হবে ‘চোখের বদলে চোখ’। ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানা গেছে।
হরমুজ প্রণালীতে বড় ধরনের হামলার ছক কষছে যুক্তরাষ্ট্র : ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতি যদি ভেঙে যায়, তবে দেশটির হরমুজ প্রণালীর সামরিক সক্ষমতা লক্ষ্য করে নতুন হামলার পরিকল্পনা করছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এ পরিকল্পনার বিষয়ে অবগত একাধিক সূত্র সিএনএনকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের বিবেচনায় থাকা বেশ কিছু লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে একটি বিশেষ দিক হলো, ইরানের ‘ডায়নামিক টার্গেট’ বা চলন্ত লক্ষ্যবস্তুগুলোতে হামলা চালানো। সূত্রগুলো জানিয়েছে, মূলত হরমুজ প্রণালী, দক্ষিণ আরব উপসাগর ও ওমান উপসাগরে ইরানের সক্ষমতা ধ্বংস করাই এ পরিকল্পনার লক্ষ্য। বিশেষ করে ইরানের ছোট দ্রুতগামী আক্রমণকারী নৌযান, মাইন স্থাপনকারী জাহাজ ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম; যা ব্যবহার করে তেহরান গুরুত্বপূর্ণ এসব জলপথ বন্ধ করে দিয়েছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওপর চাপ সৃষ্টির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে, সেগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে।
গত ৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া যুদ্ধবিরতির মধ্যেও এ জলপথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এটি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টাকেও ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। মার্কিন বাহিনী আগে ইরানের নৌবাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করলেও, প্রথম মাসের বোমাবর্ষণ ছিল মূলত হরমুজ প্রণালী থেকে দূরের লক্ষ্যবস্তুগুলোতে। উদ্দেশ্য ছিল, ইরানের মূল ভূখণ্ডের ভেতরে হামলার পথ তৈরি করা। তবে নতুন পরিকল্পনায় এই কৌশলগত জলপথের আশপাশে অনেক বেশি বোমাবর্ষণের কথা বলা হয়েছে।
সিএনএনের আগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের উপকূলীয় প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো অক্ষত আছে। এছাড়া ইরানের অসংখ্য ছোট নৌযান রয়েছে, যা জাহাজে হামলা চালানোর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। ফলে হরমুজ প্রণালী উন্মুক্ত করার মার্কিন প্রচেষ্টা আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তবে একাধিক সূত্র এবং একজন জ্যেষ্ঠ শিপিং ব্রোকার সিএনএনকে জানিয়েছেন, শুধু হরমুজ প্রণালীর আশপাশে হামলা চালিয়েই এ জলপথ তাৎক্ষণিকভাবে উন্মুক্ত করা সম্ভব নয়। ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়েছেন, কূটনৈতিক সমাধান না হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারও সামরিক অভিযান শুরু করবে। যদিও বর্তমান ও সাবেক অনেক মার্কিন কর্মকর্তা সতর্ক করেছেন, ইরানে আবারও হামলা চালানো হলে তা সংঘাতকে নতুন করে উসকে দেবে।
হামলার পরিকল্পনা নিয়ে জানতে চাইলে মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে আমরা ভবিষ্যৎ বা কাল্পনিক কোনো পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করি না। মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রেসিডেন্টকে বিভিন্ন বিকল্প দিয়ে যাচ্ছে এবং সব বিকল্পই এখন আলোচনার টেবিলে রয়েছে।’ সূত্রগুলো আরও জানায়, নতুন করে হামলা শুরু হলে ইরানের অবশিষ্ট ক্ষেপণাস্ত্র, লঞ্চার এবং উৎপাদন কেন্দ্রগুলো লক্ষ্যবস্তু করা হবে। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, আগের দফায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের প্রায় অর্ধেক ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং হাজার হাজার ড্রোন অক্ষত রয়ে গেছে। গত সপ্তাহে এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ স্বীকার করেছেন, ইরান যুদ্ধবিরতির সুযোগ নিয়ে তাদের কিছু সামরিক সম্পদ নতুন জায়গায় সরিয়ে নিয়েছে।
ট্রাম্পের সুর নরম, ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ : ইরানের বিরুদ্ধে পরমাণু অস্ত্র ব্যবহারের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর আগে দেশটিকে ধ্বংস করে দেওয়ার মতো ভয়ানক হামলার হুমকি দিলেও এখন সেই অবস্থান থেকে সরে এলেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প বলেন, কোনো অবস্থাতেই পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করা উচিত নয়। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘পরমাণু অস্ত্র যাতে কেউ কোনোভাবে ব্যবহার করতে না পারে, সেটি নিশ্চিত করতে হবে।’
‘ইরানের জাতীয় ঐক্য শত্রুপক্ষকে চরম বিপর্যয়ের মুখে ফেলেছে’ : ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ মোজতবা খামেনি জাতীয় ঐক্যের শক্তিশালী প্রভাবের প্রশংসা করে বলেছেন, ইরানি জনগণের অভূতপূর্ব সংহতি শত্রুদের শিবিরে বড় ধরনের ফাটল ধরিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, দেশবাসীর মধ্যে সৃষ্ট এই বিশেষ একতা ইসলামী প্রজাতন্ত্রকে দুর্বল করতে চাওয়া পক্ষগুলোর সমস্ত সমীকরণ ও পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দিয়েছে। মোজতবা খামেনি এই জাতীয় সংহতিকে একটি ঐশ্বরিক রহমত হিসেবে অভিহিত করেন এবং এর জন্য কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা প্রকাশের গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি দৃঢ়তার সাথে জানান, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই ঐক্য আরও সুদৃঢ় ও ইস্পাতকঠিন হবে, যা শত্রুদের আরও বেশি লাঞ্ছিত ও সংকুচিত করে তুলবে। একই সঙ্গে তিনি শত্রুপক্ষের চলমান মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করে দেন।
ইরানযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মজুত অস্ত্রভাণ্ডারের বড় অংশ শেষ- নিউইয়র্ক টাইমস : ইরানযুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী মজুত থাকা সামরিক সরঞ্জামের একটি বড় অংশ শেষ হয়ে গেছে। প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য নিউইয়র্ক টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন এশিয়া ও ইউরোপীয় কমান্ড থেকে সামরিক সরঞ্জাম সরিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে পাঠাতে বাধ্য হচ্ছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, যদিও হোয়াইট হাউস এ পর্যন্ত যুদ্ধের সঠিক ব্যয় নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক হিসাব দেয়নি, তবে দুটি স্বতন্ত্র সংস্থা জানিয়েছে যে, ইরান যুদ্ধের পেছনে প্রতিদিন ব্যয় হচ্ছে প্রায় ১০০ কোটি ডলার। অর্থাৎ মোট ব্যয়ের পরিমাণ ২৮ বিলিয়ন (২ হাজার ৮০০ কোটি) থেকে ৩৫ বিলিয়ন (৩ হাজার ৫০০ কোটি) ডলার।
তেলক্ষেত্রে কোনো ধরনের হামলা হলে পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের : ইরানের তেলক্ষেত্রে কোনো ধরনের হামলা চালানো হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সমপরিমাণ পাল্টা জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দেশটির ভাইস প্রেসিডেন্ট। ইরানের মেহের নিউজ এজেন্সির বরাতে এ খবর জানা গেছে। ভাইস প্রেসিডেন্ট ইসমাঈল সাকাব এসফাহানি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ যদি আবারও কোনো ভুল করে, তবে আমাদের কৌশল হবে ‘চোখের বদলে চোখ’। আমাদের কোনো তেলকূপে আঘাত করা হলে, যেদেশের মাটি ব্যবহার করে আমাদের ওপর আক্রমণ চালানো হবে, সেই দেশের তেল স্থাপনাগুলোও লক্ষ্যবস্তু করা হবে।’ তেহরানের আলোচনা প্রক্রিয়া নিয়ে সাকাব এসফাহানি আরও বলেন, আলোচনার টেবিলে ইরানের প্রতিনিধি দল ‘শত্রুর কলার চেপে ধরেছে’। দেশের জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে ইরানিদের দুশ্চিন্তা না করার পরামর্শ দিয়ে ভাইস প্রেসিডেন্ট জানান, এ বিষয়ে সব ধরনের ‘প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিভিন্ন তেলক্ষেত্রে হামলার হুমকি দিয়ে আসছেন। এমনকি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সুপেয় পানির প্ল্যান্টগুলো ‘নিশ্চিহ্ন’ করে দেওয়ারও বারবার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।
‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য হরমুজ প্রণালীতে ফি মওকুফ করল ইরান : কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে ‘বন্ধুপ্রতিম’ দেশগুলোর জন্য মাশুল বা ফি মওকুফ করেছে ইরান। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। রাশিয়ায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি সংবাদ সংস্থাটিকে বলেন, ‘আমরা কিছু নির্দিষ্ট দেশের জন্য বিশেষ ছাড়ের ব্যবস্থা করেছি। ভবিষ্যতে কী হবে তা আমি জানি না।’ রাষ্ট্রদূত আরও জানান, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বর্তমানে বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর জন্য এ বিশেষ সুবিধা নিশ্চিত করার চেষ্টা করছে। এর একটি উদাহরণ হলো রাশিয়া।
যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করার চেষ্টা ব্যর্থ, আইআরজিসির পাহারায় বন্দরে পৌঁছাল ইরানি জাহাজ : ওমান সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের জব্দ করার চেষ্টা ব্যর্থ করে অবরুদ্ধ হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদে বন্দরে পৌঁছেছে একটি ইরানের পণ্যবাহী জাহাজ। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস নিউজ জানিয়েছে, চালবাহী জাহাজটিকে পাহারা দিয়ে নিয়ে আসে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) নৌ-ইউনিট। মূলত মার্কিন বাহিনীর কব্জা থেকে জাহাজটিকে রক্ষা করতেই এই বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।
তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করেছে ইরান : ইরানের রাজধানী তেহরানের আকাশে ‘শত্রু লক্ষ্যবস্তু’ শনাক্ত হওয়ার পর গত বৃহস্পতিবার শহরের বিভিন্ন অংশে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, আকাশে সন্দেহভাজন কিছু লক্ষ্যবস্তু প্রতিহত করার চেষ্টা করা হয়েছে। ইরানের মেহর নিউজ এজেন্সি জানায়, রাজধানীর আকাশে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো লক্ষ্যবস্তু লক্ষ্য করে কাজ শুরু করে।
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও সেনাপ্রধানের ফোনালাপ : ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি গতকাল শুক্রবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ও দেশটির সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনিরের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, ফোনালাপে তাঁরা ‘আঞ্চলিক পরিস্থিতি ও যুদ্ধবিরতি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যু’ নিয়ে আলোচনা করেছেন। পৃথক এক প্রতিবেদনে তাসনিম নিউজ জানায়, ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের প্রেসিডেন্ট নেচিরভান বারজানির সঙ্গেও ফোনে কথা বলেছেন আরাগচি। তারাও আঞ্চলিক নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে আরেকটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরি : মার্কিন বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে। রণতরিটি যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেছে।
সেন্ট্রাল কমান্ড এই তথ্য জানিয়েছে। সেন্টকম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে রণতরির একটি ছবি শেয়ার করেছে। এতে দেখা যায়, নিমিটজ শ্রেণির এই সুপারক্যারিয়ারটি ভারত মহাসাগরে চলাচল করছে। মধ্যপ্রাচ্যে আগে থেকে থাকা মার্কিন জাহাজগুলোর সঙ্গে এই রণতরিটি যোগ দেবে, নাকি কোনো একটি জাহাজের পরিবর্তে আসছে- তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও কিছু গণমাধ্যম এ বিষয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
এর আগে সেন্টকম জানায়, বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড বর্তমানে লোহিত সাগরে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এটি যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম নৌবহরের অধীনে সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়তা করছে।