ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বিজেপির হাতে পশ্চিমবঙ্গ

বিজেপির হাতে পশ্চিমবঙ্গ

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ‘ভূমিধস’ জয় পেয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিজেপি এগিয়ে ছিল ২০৪ আসনে। আর ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস এগিয়ে ৮৩ আসনে। ২৯৪ আসনের এই বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য কোনো দলের প্রয়োজন ১৪৮ আসন।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীসহ রাজ্য বিজেপির শীর্ষস্থানীয় নেতারা এরইমধ্যে ঘোষণা দিয়েছেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের খেলা শেষ। এ রাজ্যে প্রথমবারের মতো বিজেপিই সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

রাজ্য বিজেপির নেতাকর্মীরা বিজয় উদ্?যাপন করছেন। বিজেপি সরকার গঠন করলে কে হতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী, সে আলোচনাও শুরু হয়ে গেছে।

এ নির্বাচনের আগে বিজেপির কেন্দ্রীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার জোর দিয়ে বলেছিলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন বাঙালিই হবেন।

বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী কে হতে পারেন, এ প্রশ্নের উত্তরে সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম উল্লেখ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস। তারা হলেন- বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্য বিজেপির সাবেক সভাপতি দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদার, সাবেক সাংবাদিক ও রাজ্যসভার সাবেক সাংসদ স্বপন দাশগুপ্ত প্রমুখ।

শুভেন্দু অধিকারী : সবদিক থেকেই এগিয়ে আছেন বর্তমান বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারী, মমতার একসময়ের লেফটেন্যান্ট। ২০২১ সালের নির্বাচনের মাত্র কয়েক মাস আগে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। তার এই দলত্যাগ সে সময় তৃণমূল চেয়ারপারসন মমতার জন্য একটি বড় ধাক্কা ছিল। সে সময় শুভেন্দু নন্দীগ্রামে মমতাকে পরাজিত করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন।

সমিক ভট্টাচার্য : আরএসএস’র পুরোনো কর্মী এবং অটল বিহারী বাজপেয়ীর মতো একজন মধ্যপন্থি মুখ হিসেবে পরিচিত সমিক ভট্টাচার্য রাজ্য বিজেপিতে শুরু থেকেই সক্রিয়। তিনি রাজ্যের প্রথম নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক, যিনি ২০১৪ সালের উপ-নির্বাচনে বসিরহাট দক্ষিণ থেকে নির্বাচিত হন। বিজেপি যদি কোনো বাঙালি মুখ্যমন্ত্রীকে বেছে নেয় তবে তিনি হবে এসব বিকল্পের মধ্যে অন্যতম।

স্বপন দাসগুপ্ত : প্রাক্তন সাংবাদিক স্বপন দাসগুপ্ত ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডে নিজেকে যুক্ত করেন। রাজ্য বিজেপির এই নেতা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বেরও বেশ ঘনিষ্ঠ।

দিলীপ ঘোষ : রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ একজন জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলটিকে প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে সহায়তা করেন। সে সময় তিনি দলের তিন নম্বর বিধায়ক ছিলেন। তার নেতৃত্বে ২০১৯ সালে দলটি ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ১৮টিতে জয়লাভ করে, যা এখন পর্যন্ত লোকসভা নির্বাচনে দলটির সেরা ফলাফল। ২০২১ এবং তারপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দলের পরাজয়ের পর দিলীপ ঘোষ দল থেকে দূরে সরে গিয়েছিলেন। তবে চলতি বছরের জানুয়ারিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তার সঙ্গে দেখা করার পর তাকে আবার দলে ফিরিয়ে আনা হয়। তিনি তার খড়গপুর সদর আসন থেকে জয়ী হন।

সুকান্ত মজুমদার : বিজেপির আরেক প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এখন নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার একজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। দল যদি তাদের শক্ত ঘাঁটি উত্তরবঙ্গ থেকে শীর্ষ পদের জন্য কোনো মুখ চায়, তবে তিনিই হতে পারেন তাদের প্রথম পছন্দ।

যে ৫ কারণে পশ্চিমবঙ্গে বড় জয় বিজেপির : তৃণমূলকে ‘নারী-বিরোধী’ প্রমাণে বিজেপির প্রচার এবং নারী সংরক্ষণ বিল পাসের প্রভাব সাধারণ মানুষের মনে ব্যাপকভাবে দাগ কেটেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে রাজ্যে নারীদের ভোট অন্তত ৫ শতাংশ গেরুয়া শিবিরের দিকে ঝুঁকেছে।

সরকারি কর্মী ও বকেয়া ডিএ : সপ্তম বেতন কমিশন চালু, বকেয়া মহার্ঘ ভাতা মেটানো এবং শূন্যপদ পূরণের প্রতিশ্রুতি রাজ্যের প্রায় ২০ থেকে ৫০ লাখ সরকারি কর্মচারী ও সরকারি চাকরি প্রত্যাশী তরুণদের মন জয় করতে সফল হয়েছে।

কেন্দ্র-নেতৃত্বাধীন উন্নয়ন : প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উন্নয়নের ‘গ্যারান্টি’ এবং পরিকাঠামো উন্নয়নের আশ্বাস প্রথমবার তরুণ ভোটার এবং মধ্যবিত্ত ভোটারদের ব্যাপকভাবে আকৃষ্ট করেছে।

নিরাপত্তা ও সরকারবিরোধী ক্ষোভ : আর জি কর কাণ্ডের প্রভাব এবং রাজ্যের শাসকদলের ১৫ বছরের শাসনের বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ বিজেপির পালে হাওয়া জুগিয়েছে। পাশাপাশি, নজিরবিহীন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া পাহারায় সাধারণ মানুষ এবার নির্ভয়ে ভোট দিতে পেরেছেন।

স্বচ্ছ ভোটার তালিকা ও ‘বহিরাগত’ ইস্যু : স্পেশাল ইন্টেন্সিভ রিভিশনের (এসআইআর) মাধ্যমে ভোটার তালিকা সংশোধন করে প্রায় ২৭ লাখ ‘বহিরাগত’ ও ভুয়া নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মতে এর ফলে প্রকৃত ভোটাররা সঠিকভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান : পশ্চিমবঙ্গে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের গণনা কেন্দ্রের সামনে গতকাল ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিকেল সাড়ে ৩টার কিছু পরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গণনা কেন্দ্রে পৌঁছালে তার গাড়ির সামনে ‘চোর-চোর’ স্লোগান দেন বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। জানা গেছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৌঁছানোর আগেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে বিজেপি কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। মমতা সেখানে পৌঁছানো মাত্রই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিজেপি কর্মীরা তার গাড়ি লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে শুরু করেন। এর আগে, গণনা কেন্দ্রের অদূরে একটি পেট্রোল পাম্পে তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের একটি ছোট জমায়েত ছিল। সেখানে তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সীও উপস্থিত ছিলেন বলে জানা যায়। পরে পুলিশ তৃণমূল কর্মীদের সেখান থেকে সরে যেতে নির্দেশ দেয়। যদিও পুলিশি নির্দেশের সময় সুব্রত বক্সী সেখানে ছিলেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

এর কিছু পরেই এজেসি বোস রোড ধরে এগিয়ে আসা বিজেপি সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের জমায়েত স্থলে পৌঁছে যান। অভিযোগ উঠেছে, তারা তৃণমূল কর্মীদের পেতে রাখা চেয়ার ভাঙচুর করেছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

মমতাণ্ডশুভেন্দুর মোবাইল বাজেয়াপ্ত করল নির্বাচন কমিশন : ভোটগণনার টানটান উত্তেজনার মাঝেই সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গণনাকেন্দ্রে কড়া পদক্ষেপ নেয় নির্বাচন কমিশন। নিয়মানুযায়ী গণনাকেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের অনুমতি না থাকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন জমা নেওয়ার নির্দেশ দেয় কমিশন। সূত্রের খবর, এরমধ্যেই তাদের দুজনের ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

অন্যদিকে, ওই একই গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কেও সেখান থেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়। কমিশনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নিয়ম অনুযায়ী প্রার্থী বা তার নির্ধারিত এজেন্ট ছাড়া অন্য কারও গণনাকেন্দ্রে থাকার অনুমতি নেই। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে প্রার্থী না হওয়ায় তাকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়।

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালে ভবানীপুর আসনের ভোটগণনা হয়। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন মমতা ও শুভেন্দু।

পশ্চিমবঙ্গে ভোটগণনা শেষ না হতেই সংঘর্ষ : এরই মধ্যে ব্যারাকপুরে তৃণমূল প্রার্থীর ওপর আক্রমণের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি এজেন্টদের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে রিপোর্ট জমা পড়েছে।

অন্যদিকে কোচবিহার জেলার দিনহাটায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে অবস্থা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে বলে জানিয়েছেন ডিআইজি অঞ্জলি সিং।

এছাড়া বাঁকুড়াতেও কাউন্টিং সেন্টার চত্বরে তৃণমূল ও বিজেপির সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। দুই দলই একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। তবে এ নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

মমতার বাড়ির বাইরে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান : রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস যখন পরাজয়ের মুখে, তখন বিজেপির কর্মীরা রাজ্যের রাস্তায় নিজেদের উপস্থিতি জোরালোভাবে প্রকাশ করতে শুরু করেছেন।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনের ফলাফলের এই প্রবণতার মধ্যে কলকাতায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনের বাইরে আজ বিজেপির কর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিয়েছেন।

আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব- মমতা : ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার দলের প্রার্থী, এজেন্ট, নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘ওয়েট অ্যান্ড সি, ওয়াচ। আমরা সবাই আপনাদের সঙ্গে আছি। আপনারা কেউ ভয় পাবেন না। নিশ্চিন্তে থাকুন, আমরা বাঘের বাচ্চার মতো লড়াই করে যাব।’

বাংলাদেশ সময় দুপুর ১টার দিকে মমতা এক ‘জরুরি বার্তায়’ এসব কথা বলেন। ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ভিডিওটি পোস্ট করেন। মমতা বিজেপির বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করেন। মমতা বলেন, তিনি আগেই বলেছিলেন, বিজেপির পরিকল্পনা হলো, তাদের আসনগুলোর ফলাফল আগে দেখানো হবে। আর তৃণমূলেরগুলো পরে। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের অত মন খারাপ করার কারণ নেই। তিনি আগেই বলেছিলেন, সূর্যাস্তের পরে তৃণমূলই জিতবে।

নবান্নসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন : এমন পরিস্থিতিতে পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে এরই মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

সূত্র মারফত জানা গেছে, নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সরকারি নথিপত্র সুরক্ষা এবং কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি বা ফাইল লোপাট আটকাতেই এই বিশেষ সতর্কতা গ্রহণ করা হয়েছে।

বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই হাওড়া পুলিশের কমিশনার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে পুরো নবান্ন চত্বর এলাকায় টহল দেন এবং বিভিন্ন জায়গায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেন। সূত্র মারফত জানা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের সচিবালয় নবান্নের ভেতরেও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে হঠাৎ করে বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করায় প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি মমতা সরকারের পতনের কারণে এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দিয়ে কোনো তদন্ত করার পরিকল্পনা চলছে। তাই নথিপত্র যাতে না সরাতে পারে সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় সরকারের? যদিও এ বিষয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জী কোনো প্রতিক্রিয়া দেননি।

তামিলনাড়ুতে থালাপতির দল, কেরালায় কংগ্রেস, আসামণ্ডপদুচেরিতে এগিয়ে এনডিএ : গতকাল ভোট গণনা হয় আরও চারটি রাজ্যে। এর মধ্যে তামিলনাড়ু রাজ্যে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের দল তামিলগা ভেট্টি কাজাগাম (টিভিকে) এগিয়ে ছিল ১০৮ আসনে; ডিএমকে ৭৫ ও এডিএমকে ৫০।

কেরালায় কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট ইউনাইটেড ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (ইউডিএফ) এগিয়ে ৮৯ আসনে। আর লেফট ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এলডিএফ) এগিয়ে ৩৫ আসনে। বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ৩টি আসনে। আসামে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ এগিয়ে ১০১ আসনে। আর আইএনসি এগিয়ে ২২ আসনে। পদুচেরিতে এনডিএ এগিয়ে ১৮ আসনে। আর ডিএমকে-কংগ্রেস জোট এগিয়ে ৬ আসনে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত