ঢাকা মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬, ২২ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়াতে বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

বাজার নিয়ন্ত্রণে নজরদারি বাড়াতে বললেন বাণিজ্যমন্ত্রী

বাজার নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) সহায়তা চেয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের কাছে আমরা একটি জিনিস চেয়েছি, তা হলো আগামীদিনে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল রাখার জন্য তারা যেন নজরদারি বাড়িয়ে কাঙ্ক্ষিত ভূমিকা রাখেন। গতকাল সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের চতুর্থ অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। এর আগে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ডিসিদের অধিবেশন হয়। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রশাসন ও নির্বাচিত সরকার উভয়ে সমন্বিতভাবে এসব পদক্ষেপের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করে কীভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায়, এ অধিবেশনে সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, বাজারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় তো আছেই। যেমন- উৎপাদক পর্যায়ের মূল্য এবং খুচরা বাজারের মূল্যের মধ্যে, বিশেষ করে কৃষিপণ্যের ক্ষেত্রে বড় একটা গ্যাপ (পার্থক্য) থাকে। আরেকটি বিষয় হলো, এই বাজার ব্যবস্থাপনার জন্য গত ৫০-৫৫ বছরে কোনো সমন্বিত উদ্যোগ গড়ে ওঠেনি। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির আরও বলেন, আমরাই এই সরকারে প্রথম উদ্যোগ নিচ্ছি, যেন আমদানি পর্যায় থেকে শুরু করে একদম খুচরা পর্যায়ে বিক্রয় পর্যন্ত পুরো সাপ্লাই চেইনটিকে (সরবরাহ ব্যবস্থা) একটি এআই জেনারেটেড মডেলের অধীনে নিয়ে আসা যায়। এমন একটি মডেল তৈরি করা হচ্ছে, যার মাধ্যমে আমরা সারাক্ষণ বাজার পর্যবেক্ষণ করতে পারবো। বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যেসব পণ্য আমদানির ওপর নির্ভরশীল, সেসব পণ্যের একটি স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ (কৌশলগত মজুত) তৈরি করার প্রকল্প আমরা নিতে যাচ্ছি। বর্তমানে আমাদের পর্যাপ্ত স্টোরেজ বা সংরক্ষণের সুবিধা নেই। তিনি বলেন, আমরা এমন ব্যবস্থা করতে চাই, যাতে গুটি কয়েক লোকের ওপর আমাদের নির্ভর করতে না হয়। যে কোনো ধরনের দুর্যোগে সরকারের কাছে তেল-চিনির মতো আমদানিনির্ভর পণ্যগুলো যেন এক-দুই মাসের মজুত থাকে। তাহলে বাজারেও কেউ সিন্ডিকেট করে পণ্যের দাম বাড়াতে পারবে না।

মন্ত্রী বলেন, আমি শুধু সিন্ডিকেটের কথা বলছি না, সবকিছু যে সিন্ডিকেটের কারণে হয়, তাও নয়। বাজার ব্যবস্থার অসামঞ্জস্যের কারণেও অনেক সময় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হয়। এসব সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি (সংরক্ষণাগার) নির্মাণ, স্ট্র্যাটেজিক রিজার্ভ তৈরি এবং একটি সমন্বিত বাজার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার মতো আমাদের আগামীদিনের পরিকল্পনা সম্পর্কে ডিসিদের সংক্ষেপে ধারণা দিয়েছি। এসময় বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী আরও জানান, সরকার সব বস্ত্র ও পাট কারখানা বেসরকারি উদ্যোগকে ছেড়ে দিতে চায়। এজন্য আজ সকালেও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় দুই ঘণ্টা বৈঠক হয়েছে। আমাদের ২৫টি বস্ত্র ও ২৫টি পাটকল আছে। কিছু মিল এরই মধ্যে ইজারা দেওয়া হয়েছে, অন্যান্য মিলগুলো দ্রুতই দেওয়া হবে।

উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না- পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি বলেছেন, উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতি ও ধীরগতি আর সহ্য করা হবে না। উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর গতানুগতিক ধারায় চলবে না। তিনি বলেন, উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে গুণগত মান বজায় রাখা, দুর্নীতি কমানো এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার ওপর কঠোর গুরুত্বারোপ করেছে সরকার। গতকাল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের কার্য-অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ও ৩১ দফার আলোকে একটি নতুন ‘স্ট্র্যাটেজিক ফ্রেমওয়ার্ক’ বা কৌশলগত কাঠামো তৈরি করছে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়। মূলত উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধার এবং বৈষম্য কমিয়ে অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতেই এই ২ বছর মেয়াদি ফ্রেমওয়ার্ক সাজানো হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, উন্নয়ন বাজেটের (এডিপি) অর্থ ব্যয়ে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের প্রতিটি পর্যায়ে দুর্নীতি ও অর্থের অপচয় রোধে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপরও জোর দিচ্ছে সরকার।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের অন্যতম লক্ষ্য এক কোটি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা। এখন থেকে প্রতিটি নতুন প্রকল্প গ্রহণের ক্ষেত্রে তা কতটুকু কর্মসংস্থান তৈরি করবে এবং পরিবেশের ওপর কী প্রভাব ফেলবে, তা প্রধান বিবেচ্য বিষয় হবে। লক্ষ্য হচ্ছে বৈষম্য কমিয়ে একটি ‘ট্রিলিয়ন ডলার ইকোনমি’ বা এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়ে তোলা। তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকরা প্রকল্প বাস্তবায়নে ভূমি অধিগ্রহণ, আর্থিক বরাদ্দের সময়সূচি, পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন কাঠামোর ঘাটতি এবং দুর্নীতিসহ বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে অনেকগুলো প্রস্তাব ও সুপারিশ উপস্থাপন করেছেন। সরকার এসব সমস্যা সমাধানে একটি সুনির্দিষ্ট ‘অ্যাকশন প্ল্যান’ তৈরি করছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি আরও বলেন, আইএমইডি-কে (পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ) আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে যাতে প্রতিটি প্রকল্পের ‘ভ্যালু অব মানি’ বা অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়। এছাড়া রিয়েল টাইম বা তাৎক্ষণিক ও সঠিক তথ্য সংগ্রহের জন্য পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগকে (এসআইডি) নতুন করে সাজানো হচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড আর গতানুগতিক ধারায় চলবে না। ২০১৭ সালের প্রকল্প এখনো চলমান থাকা বা বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। জনকল্যাণমুখী, সাশ্রয়ী এবং সময়াবদ্ধ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমেই একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মাঠ প্রশাসনকে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সম্মেলনে প্রাপ্ত মতামতের ভিত্তিতে দ্রুত নীতিমালা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী।

জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চান পর্যটনমন্ত্রী : জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান ছয় থেকে সাত শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা ঘোষণা করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। গতকাল সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশনে তিনি এ কথা জানান। মন্ত্রী বলেন, জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিএনপি সরকার নির্বাচনি ইশতেহার দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। আর এ যাত্রায় আমাদের জেলা প্রশাসকগণ মাঠ পর্যায়ের উন্নয়ন কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলেও আমি আশা রাখি। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র তিন শতাংশ। আমরা একে ৬-৭ শতাংশে উন্নীত করতে চাই।

তিনি জানান, সারা বাংলাদেশে ১ হাজার ৭৪২টি পর্যটন স্পট আছে। তার মানে দেশের প্রত্যেকটি জেলায় পর্যটন স্পট রয়েছে। আমরা দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছি। আপনাদের দক্ষতা ও মেধাকে কাজে লাগিয়ে আমরা পর্যটন খাতকে এগিয়ে নিতে পারব, ইনশা আল্লাহ। এসময় মন্ত্রী মানিকগঞ্জে অবস্থিত বালিয়াটি জমিদার বাড়ি এবং তেওতা জমিদার বাড়িকে পর্যটক আকর্ষণে উন্নয়ন করার জন্য সংস্কৃতি মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

বিমানবন্দরের পাশাপাশি বগুড়ায় হচ্ছে ফ্লাইং একাডেমি- বিমান প্রতিমন্ত্রী : বগুড়ায় বিমানবন্দরের পাশাপাশি ফ্লাইং একাডেমি করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের প্রথম অধিবেশন শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

বগুড়ায় এয়ারপোর্ট করার পাশাপাশি আরেকটা একাডেমি করার কথা শুনেছিলাম, সেটি কবে নাগাত হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা একাডেমির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য সাত তারিখে যাচ্ছি সেখানে, একাডেমিটা খুব তাড়াতাড়ি হবে। শুধু এখানেই নয়, নীলফামারীতেও একটা একাডেমি আছে, ছোট একাডেমি। সেখানেও আমরা চেষ্টা করব।’ তিনি বলেন, ‘একটা পাইলট বানাতে অনেক টাকা লাগে। এই পাইলটরা বাংলাদেশে খুব বেশি কাজ করে না, তারা বিদেশে চলে যায় এবং বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোতে চাকরি করে। আগে পাইলটের একটা অংশ ছিল শুধু পাইলটের ছেলে বা পাইলটের আত্মীয়-স্বজন। এখন আমরা চাচ্ছি যে, সাধারণভাবে সবাই যাতে এই এভিয়েশন সেক্টরে আসতে পারে, পাইলট হতে পারে। তারা শুধু বিমানে নয়, বিদেশে গিয়েও চাকরি করতে পারে। এই এয়ারলাইন্সগুলোতে চাকরি করলে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা আয় হবে অনেক বেশি। সেজন্য আমরা খুবই গুরুত্ব দিয়ে আমরা একাডেমি দুইটা করছি।’ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা এরমধ্যেই ১৪টি বোয়িংয়ের জন্য সাইন করেছি। আমাদের বিমান বহরটি একদম আন্তর্জাতিক মানের হলেও, আন্তর্জাতিক বিমান আছে ঠিকই কিন্তু আন্তর্জাতিক মানের নয়। সেই মান সম্পন্ন করার জন্য আমরা এরমধ্যেই ১৪টি বোয়িং ক্রয়ের স্বাক্ষর করেছি তিনি আরও বলেন, ‘আর অব্যবহৃত বিমানবন্দরগুলো আমরা নতুন করে রিপেয়ার করে এটাকে চালু করব অভ্যন্তরীণ রুট হিসেবে।’ এছাড়াও চলতি বছরের ১৬ ডিসেম্বর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন হবে বলে তিনি আশা ব্যক্ত করেন।

বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের শুরুতে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে- কৃষিমন্ত্রী : সাম্প্রতিক বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের শুরুতে সাড়ে ৭ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। গতকাল সোমবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডিসি সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনের তৃতীয় অধিবেশন শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের এ কথা জানান। হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসব্যাপী সহায়তার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের জন্য আমরা প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল এবং দুর্যোগব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের তহবিল থেকে সহায়তার ব্যবস্থা করছি। যদিও কৃষকদের যে পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে হয়তো আমরা সেটা পোষাতে পারব না। তবে এই লোকগুলো যেন মহাবিপদে, যেভাবে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন, সেখান থেকে তাদের কিছুটা লাঘব হয়। এ সহায়তা সাড়ে সাত হাজার টাকা থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে আমরা বাড়াব।

কৃষি ও দুর্যোগব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় সমন্বিতভাবে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, মাঠপর্যায়ে আমাদের কৃষি অফিসাররা এই তালিকা করছেন। তারা ক্ষতিগ্রস্তদের নানা ক্যাটাগরি করবেন এবং সহায়তা ৩ মাস পর্যন্ত চলবে। তিনি বলেন, ডিসি সম্মেলনে আলুর কম দামের বিষয়টি উঠে এসেছিল। আমরা এ খাদ্যপণ্যটির বহুমুখী ব্যবহার আরও বাড়াতে এবং রপ্তানিযোগ্য আলু চাষে মনোযোগ দিচ্ছি। এই বছর থেকেই ফ্রেঞ্চফ্রাই এবং চিপস করা যায় এমন আলুর চাষ শুরু করা হয়েছে। আশা করছি এগুলো রপ্তানি করতে পারব।

দেশে কোরবানিযগ্য পশুর কোনো সংকট নেই বলেও এসময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, আমরা বর্ডার হাটগুলো বন্ধ করেছি এবং বিদেশ থেকে যেন গরু না আসে সে ব্যবস্থা করেছি।

‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ নিয়ে আলোচনা ডিসি সম্মেলনে : অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে ‘রিটায়ার্ড টিচার্স পুল’ তৈরির বিষয়ে জেলা প্রশাসক সম্মেলনে আলোচনা হয়েছে। জেলা প্রশাসক সম্মেলনের প্রথম দিন শিক্ষাসংক্রান্ত অধিবেশনে এই আলোচনা হয় বলে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়াবলী হলো, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার ২০২৬-এ শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নসংক্রান্ত প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সমন্বয়ে রিটায়ার্ড টিচার্স পুল তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা নির্ধারিত শিক্ষাবর্ষের মধ্যে সম্পন্ন করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ সম্পর্কিত বিষয়াবলিতে বলা হয়, ধর্মীয় শিক্ষার পাশাপাশি বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও আইটি শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারিত করে মাদ্রাসা ও কওমি শিক্ষার আধুনিকায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিতকরণের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত বিষয়াবলিতে বলা হয়, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বৈষম্যহীন শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে প্রথম শ্রেণি হতে অভিন্ন স্কুল পোশাক চালুর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। বছরব্যাপী খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন, নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস প্রোগ্রাম, মিড ডে মিল এবং প্রতিটি বিদ্যালয়ে প্লে গ্রাউন্ড নিশ্চিতের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত