
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ ‘সম্ভবত’ আবারও শুরু হতে যাচ্ছে বলে মনে করছে ইরান। ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ ‘সম্ভবত’ আবার শুরু হবে। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র কোনো চুক্তি বা সমঝোতার বিষয়ে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ নয়, এটি প্রমাণিত। ইরানের বার্তা সংস্থা ফার্সে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সামরিক সদর দপ্তরের উপ-প্রধান মোহাম্মদ জাফর আসাদি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের কর্মকাণ্ড ও বক্তব্য মূলত মিডিয়ানির্ভর; তাদের লক্ষ্য তেলের দামের পতন ঠেকানো এবং দ্বিতীয়ত নিজেদের সৃষ্ট জটিলতা থেকে বেরিয়ে আসা। সাম্প্রতিক উত্তেজনার মধ্যে এ বক্তব্য দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত পুনরায় তীব্র হওয়ার আশঙ্কা আরও বাড়িয়েছে।
হরমুজে ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’, অংশ নেবে ১৫ হাজার সেনা, ১০০ যুদ্ধবিমান : সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে, সেগুলোর নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানান, মধ্যপ্রাচ্যের সময় অনুযায়ী গতকাল সোমবার সকালে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ শুরু হওয়ার কথা। এ পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। এতে যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান।
সেন্টকম এক বিবৃতিতে জানায়, ‘হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ৪ মে থেকে প্রজেক্ট ফ্রিডমে সহায়তা দেওয়া শুরু করবে।’ ট্রাম্পের মতে, জাহাজগুলোকে হরমুজ প্রণালী থেকে বেরিয়ে যেতে সহায়তা করা একটি ‘মানবিক পদক্ষেপ’। এটি যুক্তরাষ্ট্র আর মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি ইরানের পক্ষ থেকেও একটি সদয় আচরণ। কারণ, সেখানে অনেক জাহাজে খাদ্যসংকট দেখা দিচ্ছে। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ কাজে কেউ বাধা দিলে তাকে ‘কঠোরভাবে মোকাবিলা’ করা হবে।
হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুই দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা : ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তাদের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করায় হরমুজ প্রণালীর জাস্ক দ্বীপের কাছে একটি মার্কিন নৌবাহিনীর জাহাজে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এই হামলা এমন এক সময়ে ঘটল যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গতকাল সোমবার হরমুজ প্রণালীতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে পথ দেখিয়ে বের করে আনার জন্য ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে একটি নৌ অভিযানের ঘোষণা দিয়েছেন। খবর আল জাজিরার। ইরানের অবরোধের মুখে এই জলপথে যেসব জাহাজ আটকা পড়েছে, নতুন ওই অভিযানের মাধ্যমে সেগুলোকে বের করে আনতে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন তিনি। সোমবার থেকে মার্কিন নৌ-সেনারা আটকেপড়া জাহাজগুলোকে পথ দেখাবে বলে জানানো হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন ইরান, মধ্যপ্রাচ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থে আমরা এসব দেশগুলোকে জানিয়েছি যে, আমরা তাদের জাহাজগুলোকে অবরুদ্ধ জলপথ থেকে নিরাপদে বের করে দেব। তারা যেন অবাধে ও দক্ষতার সঙ্গে নিজেদের কাজ চালিয়ে যেতে পারে। এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, যুদ্ধ শেষ করার জন্য তাদের সর্বশেষ ১৪-দফা প্রস্তাবের জবাবে ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়া তারা খতিয়ে দেখছে। ট্রাম্প তেহরানের এই প্রস্তাবকে ?‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে অভিহিত করেছেন।
হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশের চেষ্টা করলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করা হবে, সতর্ক করল ইরান : হরমুজ প্রণালীতে সামরিক উদ্যোগ ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’-এর ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এর কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশটির সামরিক বাহিনী এক বিবৃতিতে সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালীতে প্রবেশ করতে চাইলে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা চালানো হবে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এ জলপথের নিরাপত্তার দায়িত্ব ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ইরানের সামরিক বাহিনীর হাতে ন্যস্ত। তাই যেকোন পরিস্থিতিতে ‘নিরাপদ যাতায়াত ও নৌ চলাচলের’ ক্ষেত্রে নেওয়া উদ্যোগ (ইরানের) সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই নিতে হবে।’ সতর্ক বরে দিয়ে বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনী বলেছে, ‘আমরা সতর্ক করছি, যেকোনো বিদেশি সামরিক বাহিনী, বিশেষ করে আগ্রাসী মার্কিন বাহিনী হরমুজ প্রণালীর দিকে এগিয়ে আসার কিংবা প্রবেশের চেষ্টা করলে; তাদের ওপর হামলা করা হবে।’ সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে, সেগুলোর নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি এ উদ্যোগের নাম দিয়েছেন ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’। ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তারা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ বাস্তবায়নে সহায়তা করবে। যোগ দেবে ১৫ হাজার সেনা। থাকবে ক্ষেপণাস্ত্র-বিধ্বংসী ডেস্ট্রয়ার ও শতাধিক যুদ্ধবিমান।
হরমুজে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে দেখা হবে, হুঁশিয়ারি ইরানের : যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে অনির্দিষ্টকালের যুদ্ধবিরতি চলছে। এ পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে মার্কিন বাহিনীর যেকোনো হস্তক্ষেপ ‘যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন’ হিসেবে দেখবে তেহরান। ইরানের জ্যেষ্ঠ রাজনীতিক ও আইনপ্রণেতা ইব্রাহিম আজিজি গতকাল সোমবার এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। ইব্রাহিম আজিজি ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) সাবেক কমান্ডার। বর্তমানে তিনি দেশটির পার্লামেন্টের সদস্য এবং জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক কমিটির প্রধান। এর আগে ইব্রাহিম আজিজি বিবিসি তেহরানকে বলেছিলেন, ‘এটি (হরমুজ) আমাদের মৌলিক অধিকার। এ পথ দিয়ে কী হবে সে সিদ্ধান্ত ইরানের। এ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত।’
হরমুজ প্রণালীতে ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তুর’ আঘাত, তদন্ত চলছে : হরমুজ প্রণালীতে আটকে থাকা একটি ট্যাংকারে ‘অজ্ঞাত বস্তু’ আঘাত হেনেছে। যুক্তরাজ্যের মেরিটাইম ট্রেড সেন্টার (ইউকেএমটিও) গতকাল সোমবার এ খবর জানিয়েছে। ইউকেএমটিও একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, নৌযানটি ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের উত্তর প্রান্তের কাছাকাছি অবস্থান করছে। এক্স পোস্টে ইউকেএমটিও জানায়, ‘সব ক্রু নিরাপদে আছে। পরিবেশের ওপর কোনো প্রভাব পড়েনি। কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে।’ গতকাল রোববার এই হামলা হয়। এর পরপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের ট্রুথ সোশ্যালে ঘোষণা দেন, সংঘাতের বাইরে থাকা দেশগুলোর যেসব জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে আটকে আছে, তাদের নিরাপদে সরে যেতে যুক্তরাষ্ট্র সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে।
জব্দ ইরানি জাহাজের ২২ নাবিককে পাকিস্তানে পাঠাল যুক্তরাষ্ট্র, দেশে ফিরবেন তারা : ওমান উপসাগর থেকে জব্দ করা ইরানের পতাকাবাহী জাহাজ এমভি তুসকার ২২ জন নাবিককে পাকিস্তানে পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সেখান থেকে পরে তাদের নিজ দেশে ফেরার কথা রয়েছে। ইরান যুদ্ধের দায়িত্বপ্রাপ্ত মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) একজন মুখপাত্র গতকাল সোমবার এ কথা জানিয়েছেন। গত মাসে এমভি তুসকা নামের ইরানি জাহাজটি জব্দ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। সেন্টকমের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স আজ বলেন, ‘আজ, এমভি তুসকার ২২ জন নাবিককে পাকিস্তানে হস্তান্তরের কাজ শেষ করেছে মার্কিন বাহিনী। তাদের দেশে (ইরান) প্রত্যাবাসন করা হবে।’ যুক্তরাষ্ট্র গত ২০ এপ্রিল ইরানের কনটেইনারবাহী জাহাজটি জব্দ করে। বলা হয়, ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপ করা নৌ-অবরোধ ভঙ্গ করায় জাহাজটিকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনাকে ‘জলদস্যুতা’ বলে চিহ্নিত করে তেহরান।
সেন্টকম জানায়, এমভি তুসকায় থাকা ৬ জনকে গত সপ্তাহে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার জন্য একটি আঞ্চলিক দেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, এ ৬ জন জাহাজটির নাবিকদের পরিবারের সদস্য।
ইরানের দেওয়া সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, পর্যালোচনা করছে তেহরান : যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধ অবসানে ইরানের দেওয়া ১৪ দফা প্রস্তাবের জবাব দিয়েছে ওয়াশিংটন। তেহরান তা পর্যালোচনা করছে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানান, পাকিস্তানের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া ইরানের সর্বশেষ প্রস্তাবের জবাব পেয়েছে তেহরান। তা এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ইসমাইল বাঘাই আরও বলেন, ইরানের দেওয়া এই পরিকল্পনাটি শুধু যুদ্ধ অবসানের বিষয়ের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। এই পর্যায়ে পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে কোনো আলোচনার সুযোগ রাখা হয়নি।
ইরানে ‘মোসাদের এজেন্ট’সহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড : ইরানে তিনজন ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। তাদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হয়ে কাজ করছিলেন। একজনের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারিতে ইরানে সরকারবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভের সময় উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মাসহাদ শহরে সহিংস অস্থিরতা উসকে দেওয়ার অভিযোগ ছিল। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফারস জানিয়েছে, তিনজনের মধ্যে মেহেদি রাসুলি ও মোহাম্মদ রেজা মিরি নামের দুজনকে ‘মোসাদের এজেন্ট’ বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইব্রাহিম দোলাতাবাদি নামের একজন ব্যক্তি মাসহাদ শহরের তাবারসি এলাকার অস্থিরতায় নেতৃত্ব দেওয়ায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।
ইরানে ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে : ইরানের হাউজিং ফাউন্ডেশন জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে এবারের যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া প্রায় ৩৭ হাজার আবাসিক ও বাণিজ্যিক ভবন এরইমধ্যে মেরামত করা হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের এ তথ্য প্রকাশ করেছে। খবর আল-জাজিরার। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ব্যাপক পরিসরে হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। ইরানের রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির তথ্য অনুযায়ী, ইরানজুড়ে আবাসিক এলাকাগুলোয় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ১ লাখ ২৫ হাজারের বেশি বেসামরিক স্থাপনা হয় পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে, নয়তো ব্যাপকভাবে ক্ষতির শিকার হয়েছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, দেশজুড়ে চিকিৎসা সংক্রান্ত প্রায় ৩৩৯টি স্থাপনায় হামলা হয়েছে। এর মধ্যে মেডিকেল সেন্টার, হাসপাতাল, ক্লিনিক, ফার্মেসি, চিকিৎসা সংক্রান্ত গবেষণাগার প্রভৃতি রয়েছে।
ট্রাম্পের ওপর থেকে কেন মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন মার্কিন তরুণরা : প্রত্যাশার চেয়ে বেশি তরুণ ভোটার ২০২৪ সালের নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন জানানোয় রিপাবলিকানরা উচ্ছ্বসিত হয়েছিলেন। ট্রাম্পের ‘বিশ্বের ইতিহাসের সেরা অর্থনীতি গড়ার’ মতো চটকদার প্রতিশ্রুতিতে এই তরুণদের অনেকেই ওই সময় প্রভাবিত হয়েছিলেন। তবে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সীদের মধ্যে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা যেভাবে কমছে, তাতে রিপাবলিকানদের উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত। ইউগভণ্ডদ্য ইকোনমিস্টের সাম্প্রতিক জরিপ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে এই বয়সীদের মধ্যে ট্রাম্পের জনসমর্থন যেখানে ৪৮ শতাংশ ছিল, গত কয়েক মাসে তা কমে ২৫ থেকে ৩৩ শতাংশে নেমে এসেছে। লাখ লাখ মার্কিন তরুণ ট্রাম্পের ওপর থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়াটা অবাক হওয়ার মতো কিছু নয়। কারণ, তিনি তার দেওয়া অনেক প্রতিশ্রুতিই পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছেন।