ঢাকা শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

কোটালীপাড়ার প্রবীণ শামসুল হকের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

কোটালীপাড়ার প্রবীণ শামসুল হকের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার ৯৫ বছর বয়সী বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার খোঁজ নিয়েছেন 'আমরা বিএনপি পরিবার'-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গতকাল বৃহস্পতিবার সংগঠনের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে প্রবীণ শামসুল হকের বাড়ি গিয়ে তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেয়। আমরা বিএনপি পরিবারের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন এ তথ্য জানিয়েছে। তিনি জানান, 'ছয় সন্তানকে বড় করেছেন, ৯৫ বছর বয়সে বাবার ঠাঁই হলো গাছতলায়'— শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। এরপর তিনি তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে এ বৃদ্ধের পাশে দাঁড়াতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেন। এর প্রেক্ষিতে আজ সংগঠনের সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল কোটালীপাড়া উত্তর হিরন গ্রামে হাজী শামসুল হক মোল্লার বাড়িতে যান। এ সময় তারা বৃদ্ধের শারীরিক ও পারিবারিক অবস্থার খোঁজ-খবর নেন। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে উপহার ও সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন। কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন বলেন, প্রধানমন্ত্রী বৃদ্ধ হাজী শামসুল হক মোল্লার নিরাপদ আশ্রয়, প্রয়োজনীয় পরিচর্যা ও মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমরা এসে জানতে পেরেছি, তার ছেলেরা তাকে পুনরায় বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়েছেন এবং আমৃত্যু তার দায়িত্ব পালনের আশ্বাস দিয়েছেন। বিষয়টি আমরা প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করব। উল্লেখ্য, ৯৫ বছর বয়সী হাজী শামসুল হক মোল্লা জীবনের দীর্ঘ সময় পরিশ্রম করে দুই ছেলে ও চার মেয়েকে বড় করেছেন। সম্প্রতি নিজের জমিজমা ছয় সন্তানের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পর তিনি সন্তানদের কাছেই আশ্রয়হীন হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে বসতবাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হলে বাড়ির পাশের একটি গাছতলায় আশ্রয় নিতে বাধ্য হন তিনি। তার এই দুরবস্থার খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হলে বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হয়। প্রতিনিধি দলে আরও উপস্থিত ছিলেন- সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমদ, শাহাদাত হোসেন, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজীব, ছাত্রনেতা মশিউর রহমান মহান ও আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত