ঢাকা শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ

মার্কিন নাগরিকদের ইরান ছাড়ার নির্দেশ

তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র তার নাগরিকদের অবিলম্বে ইরান ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ শান্তিদূত স্টিভ উইটকফ গতকাল শুক্রবার ওমান সম্মেলনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে দেখা করেন। গত গ্রীষ্মের ১২ দিনের সংঘাতের পর এই প্রথম দুই দেশের মধ্যে সরাসরি মুখোমুখি আলোচনা হয়। কয়েক সপ্তাহ ধরে ইরানের কাছাকাছি মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি পেয়েছে, যাকে ট্রাম্প একটি ‘আর্মাডা’ বা বিশাল নৌবহর হিসেবে অভিহিত করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারবার হুমকি দিয়েছেন, ইরান নতুন কোনো পারমাণবিক চুক্তিতে সই না করলে তিনি সামরিক ব্যবস্থা নেবেন। গতকাল আলোচনার আগে ইরানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের ভার্চ্যুয়াল দূতাবাস একটি নিরাপত্তা সতর্কতা জারি করে নাগরিকদের ‘এখনই ইরান ছাড়ার’ নির্দেশ দেয়। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ‘অতিরিক্ত দাবি বা হঠকারিতা’র বিরুদ্ধে ইরান নিজেকে রক্ষা করতে প্রস্তুত। ইরানের প্রধান মিত্র চীন জানিয়েছে, তারা তেহরানের স্বার্থ রক্ষার বিষয়টিকে সমর্থন করছে। পাশাপাশি ওয়াশিংটনের ‘একতরফা গুন্ডামি’র বিরোধিতা করছে। ট্রাম্পের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট বলেছেন, মার্কিন প্রতিনিধিদল ইরানের ‘শূন্য পারমাণবিক সক্ষমতা’র বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনীর কমান্ডার-ইন-চিফ হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাতে ‘অনেক বিকল্প খোলা আছে’। ওয়াশিংটনের প্রধান দাবি হচ্ছে, ইরানকে তার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করতে হবে এবং মজুত সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম নষ্ট করে ফেলতে হবে। তবে আলোচনায় তেহরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং হামাস ও হিজবুল্লাহর মতো সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে সমর্থনের বিষয়গুলোও গুরুত্ব পাবে।ইরান সম্ভাব্য মার্কিন হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার হুমকির পাশাপাশি এ-ও বলেছে, আলোচনার আগে ‘কূটনীতি ব্যবহারের সুযোগ হাতছাড়া’ করতে চায় না তারা।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত