
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, জাতিসংঘে যোগদানের পর থেকেই বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতাকে পররাষ্ট্রনীতির মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করেছে। তিনি বিশ্ব শান্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতার প্রতি দেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
নিউইয়র্কে গত বৃহস্পতিবার জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত দেশের ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের সংবর্ধনায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। গতকাল শনিবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংবর্ধনায় প্রায় ১৫০ জন স্থায়ী প্রতিনিধি, জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও কূটনৈতিক মহলের সদস্যরা অংশ নেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশ অব্যাহতভাবে শান্তিরক্ষায় অবদান রেখে আসছে। একইসঙ্গে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা অব্যাহত রেখেছে।
তিনি উল্লেখ করেন, নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও জাতিসংঘ সনদের আলোকে গঠনমূলক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে গত পাঁচ দশকে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক অগ্রগতি অর্জন করেছে। স্বাগত বক্তব্যে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী বলেন, ২৬ মার্চ শুধু একটি জাতির জন্ম নয়, বরং জনগণের ইচ্ছাশক্তি, মর্যাদা ও স্বাধীনতার চিরন্তন বিজয়ের প্রতীক।
এর আগে মিশনের অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে জাতীয় নেতাদের বাণী পাঠ এবং স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে একটি বিশেষ প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।