ঢাকা রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বৈশ্বিক চাপ মোকাবিলায় নিবিড় সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ

বৈশ্বিক চাপ মোকাবিলায় নিবিড় সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতিসহ ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক অনিশ্চয়তার মধ্যে মাল্টিলেটারাল ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকস্ (এমডিবি) প্রধানরা নিবিড় সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, উন্নয়নের ধারা রক্ষা এবং সদস্য দেশগুলোর অর্থনীতির ওপর চাপ মোকাবিলায় এই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার কথা বলেন তারা।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) প্রেসিডেন্ট ও এমডিবি প্রধানদের বর্তমান চেয়ারম্যান মাসাতো কান্দা বলেন, ‘একটি জটিল ও পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সদস্য দেশ ও অংশীদারদের/গ্রাহকদের সহায়তা করতে এমডিবিগুলো আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের আর্থিক শক্তি, জ্ঞান ও অংশীদারিত্বের সমন্বয়ে আমরা দেশগুলোকে বর্তমান চাপ সামলাতে এবং ভবিষ্যতের জন্য সক্ষমতা তৈরিতে সহায়তা করছি।’

গত শুক্রবার বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) স্প্রিং মিটিং-এর ফাঁকে এমডিবি প্রধানরা এক বৈঠকে মিলিত হন। তারা উল্লেখ করেন, জ্বালানির উচ্চমূল্য, সরবরাহ ব্যবস্থার বিঘ্ন এবং কঠোর আর্থিক পরিস্থিতির মাধ্যমে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব এখনই অনুভূত হচ্ছে। বৈঠকে এমডিবি প্রধানরা বলেন, দেশগুলোর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে রক্ষায় তারা দ্রুত ও কার্যকর সহায়তা দিতে প্রস্তুত। এডিবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এমডিবি প্রধানগণ তাদের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন। তারা নিজ নিজ কাজের পরিধি ও কৌশল অনুযায়ী বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, অবকাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদী টেকসই প্রবৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

এমডিবি প্রধানগণ বেসরকারি অর্থায়ন জোরদার এবং অর্থায়নের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিয়েছেন। এর মধ্যে ‘অরিজিনেট-টু-ডিস্ট্রিবিউট’ বা অংশীদারিত্বের মতো পদ্ধতিগুলোও রয়েছে। এর ফলে এমডিবিগুলোর পক্ষে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা এবং বড় পরিসরে বেসরকারি পুঁজি সংগ্রহ করা সম্ভব হবে। এই কাজকে এগিয়ে নিতে তারা একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠনে একমত হয়েছে। এছাড়া গ্লোবাল ইমার্জিং মার্কেটস (জেএমএস) জোটের মাধ্যমে উদীয়মান বাজারে ঋণের ঝুঁকির স্বচ্ছতা বাড়ানো এবং স্থানীয় মুদ্রায় অর্থায়ন বৃদ্ধির গুরুত্ব তারা স্বীকার করেন। এর মধ্যে অভ্যন্তরীণ আর্থিক বাজার উন্নয়নের মাধ্যমে বিনিময় হারের ঝুঁকি কমানো এবং ব্লেন্ডেড ফাইন্যান্সের (মিশ্র অর্থায়ন) সুশৃঙ্খল ব্যবহারের ওপরও জোর দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত