
গত অর্থবছরে ৭৮৫ কোটি টাকা নিট মুনাফা করার তথ্য দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। গতকাল বৃহস্পতিবার বিমানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গেল মঙ্গলবার সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মুনাফা ঘোষণা করা হয়। তার আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিমান ২৮২ কোটি টাকা মুনাফার খবর দিয়েছিল। এ নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো লাভের ধারা অব্যাহত রেখেছে বিমান। সর্বশেষ ১০ অর্থবছরে নয়বারই নিট মুনাফা অর্জন করেছে। গত অগাস্টে বিমান বিদায়ী অর্থবছরে ৯৩৭ কোটি টাকা অনিরীক্ষিত মুনাফা অর্জনের তথ্য দিয়েছিল।
সে সময় কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, “এই মুনাফার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছরের ইতিহাসে বিমান এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে।”
এর আগে বিমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করেছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে; যার পরিমাণ ছিল ৪৪০ কোটি টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিমান গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে, যার পরিমাণ ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবছরের তুলনায় এ আয় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।
একই সঙ্গে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমান ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। এই অর্থবছরে বিমানের নিট মুনাফা ৭৮৫ দশমিক ২১ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি। বিমান বলেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২১টি উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে সর্বমোট ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার যাত্রী পরিবহন করেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।
ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি দেশের বিমানবন্দরগুলোতে গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং সেবাও দিয়ে থেকে বিমান। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমান বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১ হাজার ১১২টি ফ্লাইটের যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিমান সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, এ কথা তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বিগত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ড অর্জিত হয়েছে, যা বাজারে বিমানের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও যাত্রীদের আস্থার প্রতিফলন।”
দ্রুত লাগেজ সরবরাহ, উন্নত ‘ইন-ফ্লাইট’ সেবা এবং বিমানবন্দর প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়িয়েছে দাবি করে সংস্থা বলছে, “বিমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করে ধারাবাহিকভাবে প্রশংসনীয় ‘সেফটি রেকর্ড’ বজায় রেখেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নতুন ব্যবস্থাপনা দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর সম্পদ বণ্টন এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দৃঢ়করণ এই বছরের রেকর্ড মুনাফায় বড় ভূমিকা রেখেছে।”
ভবিষ্যতে নতুন জনপ্রিয় গন্তব্যে রুট সম্প্রসারণ, যাত্রীসেবা ও পরিচালনায় ডিজিটাল রূপান্তর এবং কার্গো সেবা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা থাকার কথা বলেছে বিমান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিমানের সাধারণ সভায় বিগত অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।
এছাড়াও শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
গত অর্থবছরে ৭৮৫ কোটি টাকা নিট মুনাফা করার তথ্য দিয়েছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী উড়োজাহাজ সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। গতকাল বৃহস্পতিবার বিমানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গেল মঙ্গলবার সংস্থার বার্ষিক সাধারণ সভায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মুনাফা ঘোষণা করা হয়। তার আগে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিমান ২৮২ কোটি টাকা মুনাফার খবর দিয়েছিল। এ নিয়ে টানা পঞ্চমবারের মতো লাভের ধারা অব্যাহত রেখেছে বিমান। সর্বশেষ ১০ অর্থবছরে নয়বারই নিট মুনাফা অর্জন করেছে। গত অগাস্টে বিমান বিদায়ী অর্থবছরে ৯৩৭ কোটি টাকা অনিরীক্ষিত মুনাফা অর্জনের তথ্য দিয়েছিল। সে সময় কোম্পানির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, “এই মুনাফার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছরের ইতিহাসে বিমান এক অনন্য রেকর্ড গড়েছে।” এর আগে বিমান দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মুনাফা অর্জন করেছিল ২০২১-২২ অর্থবছরে; যার পরিমাণ ছিল ৪৪০ কোটি টাকা।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিমান গত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে, যার পরিমাণ ১১ হাজার ৫৫৯ কোটি টাকা। তার আগের অর্থবছরের তুলনায় এ আয় ৯ দশমিক ৪৬ শতাংশ বেশি।
একই সঙ্গে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমান ১ হাজার ৬০২ কোটি টাকা পরিচালন মুনাফা অর্জন করেছে। এই অর্থবছরে বিমানের নিট মুনাফা ৭৮৫ দশমিক ২১ কোটি টাকা, যা আগের অর্থবছরের (২০২৩-২৪) তুলনায় ১৭৮ শতাংশ বেশি।
বিমান বলেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ২১টি উড়োজাহাজের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি ৩০টি গন্তব্যে সর্বমোট ৩৩ লাখ ৮৩ হাজার যাত্রী পরিবহন করেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১ শতাংশ বেশি। এছাড়াও ৪৩ হাজার ৯১৮ টন কার্গো পরিবহন করে ৯২৫ কোটি টাকা আয় করেছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৪৫ দশমিক ২১ শতাংশ বেশি।
ফ্লাইট পরিচালনার পাশাপাশি দেশের বিমানবন্দরগুলোতে গ্রাউন্ড হ্যান্ডেলিং সেবাও দিয়ে থেকে বিমান। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বিমান বিদেশি এয়ারলাইন্সের ৩১ হাজার ১১২টি ফ্লাইটের যাত্রীকে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং সেবা দিয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
বিমান সম্পূর্ণ নিজস্ব আয়ে পরিচালিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, এ কথা তুলে ধরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “বিগত ৫৪ বছরে বিমান সরকার থেকে কোনো প্রকার ভর্তুকি গ্রহণ করেনি। ২০২৫ সালের জানুয়ারি মাসে বিমানের ইতিহাসে সর্বোচ্চ টিকিট বিক্রির রেকর্ড অর্জিত হয়েছে, যা বাজারে বিমানের ক্রমবর্ধমান জনপ্রিয়তা ও যাত্রীদের আস্থার প্রতিফলন।”
দ্রুত লাগেজ সরবরাহ, উন্নত ‘ইন-ফ্লাইট’ সেবা এবং বিমানবন্দর প্রক্রিয়ার আধুনিকায়ন যাত্রী সন্তুষ্টি বাড়িয়েছে দাবি করে সংস্থা বলছে, “বিমান আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান কঠোরভাবে অনুসরণ করে ধারাবাহিকভাবে প্রশংসনীয় ‘সেফটি রেকর্ড’ বজায় রেখেছে। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে নতুন ব্যবস্থাপনা দক্ষ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ, কার্যকর সম্পদ বণ্টন এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা দৃঢ়করণ এই বছরের রেকর্ড মুনাফায় বড় ভূমিকা রেখেছে।”
ভবিষ্যতে নতুন জনপ্রিয় গন্তব্যে রুট সম্প্রসারণ, যাত্রীসেবা ও পরিচালনায় ডিজিটাল রূপান্তর এবং কার্গো সেবা শক্তিশালী করার পরিকল্পনা থাকার কথা বলেছে বিমান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান শেখ বশিরউদ্দীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিমানের সাধারণ সভায় বিগত অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব প্রকাশ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন বিমান পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা।
এছাড়াও শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অবশেষে ১৪টি বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত বিমান পর্ষদের:
ইউরোপ না আমেরিকা কার কাছ থেকে উড়োজাহাজ কিনবে বাংলাদেশ, তা নিয়ে অনেক টানাহেঁচড়ার পর অবশেষে বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিমান পরিচালনা পর্ষদ।
গত মঙ্গলবার বিমান পরিচালনা পর্ষদে ১৪টি বোয়িং কেনার ‘নীতিগত’ সিদ্ধান্ত হয় বলে কোম্পানির জনসংযোগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক বোসরা ইসলাম গতকাল বৃহস্পতিবার জানান।
বিমানের জন্য ইউরোপীয় জায়ান্ট এয়ারবাস নাকি মার্কিন বোয়িং এর উড়োজাহাজ কেন হবে, তা নিয়ে গত দুই বছর ধরে রশি টানাটানি চলছিল।বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০টি এয়ারবাস কেনার নীতিগত সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছিল। কিন্তু অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতন আর ডনাল্ড ট্রাম্পের শুল্কনীতির চাপে শেষ পর্যন্ত বিমানের অর্ডার যাচ্ছে বোয়িংয়ের ব্যাগে।
২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকা সফরে এসে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল মাক্রোঁ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, বাংলাদেশ ফ্রান্সের কোম্পানি এয়ারবাস থেকে ১০টি বড় উড়োজাহাজ ‘কেনার প্রতিশ্রুতি’ দিয়েছে।এয়ারবাস থেকে আটটি যাত্রীবাহী ও দুটি পণ্যবাহী উড়োজাহাজ কেনার বিষয় ‘পর্যালোচনার’ মধ্যে আমেরিকান কোম্পানি বোয়িংও তৎপর হয়ে ওঠে। তৎকালীন সরকারের সঙ্গে দুপক্ষেরই দেনদরবার চলে। এর মধ্যেই ২০২৪ সালের অগাস্টে গণঅভ্যুত্থানে পতন হয় শেখ হাসিনা সরকারের।এরপর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প চলতি বছর চেয়ারে বসেই যে বাণিজ্য যুদ্ধের সূচনা করেন, তার প্রভাব বাংলাদেশেও পড়ে। ট্রাম্পের ৩৫ শতাংশ শুল্কের খড়গ থেকে বাঁচতে গত জুলাই মাসে অন্তর্বর্তী সরকার মার্কিন কোম্পানি বোয়িংয়ের কাছ থেকে ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে।
তাতে ফ্রান্সের কোম্পানি এয়ারবাস থেকে বিমানের জন্য ১০টি বড় উড়োজাহাজ কেনার প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এরপর ইউরোপও নড়েচড়ে বসে। এয়ারবাস বিক্রির জন্য তারাও চাপ দিতে থাকে সরকারের ওপর।
গত জুন মাসে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাজ্য সফরে গেলে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এয়ারবাসের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ভাউটার ভ্যান ভার্স। এর পর থেকে কোম্পানির প্রতিনিধিরা সরকারের ঊর্ধ্বতনদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে যোগাযোগ রেখে চলেন।
গত নভেম্বরের শুরুতে ফ্রান্স দূতাবাসে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতরা একযোগে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন, উড়োজাহাজ কেনার আলোচনায় যেন এয়ারবাসকে ‘যৌক্তিকভাবে’ বিবেচনা করা হয়।তারা ইউরোপে কয়েক বিলিয়ন ইউরোর বাংলাদেশি পণ্যের বাজার, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণ, যুক্তরাজ্যের বাজারে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার এবং দীর্ঘ অংশীদারত্বের কথা মনে করিয়ে দেন বারবার।
সর্বশেষ গত ২৬ নভেম্বর ঢাকায় নিযুক্ত জার্মান রাষ্ট্রদূত র্যুডিগার লোটৎস এক সভায় বলেন, এয়ারবাসের উড়োজাহাজ কেনার ‘প্রতিশ্রুতি’ থেকে বাংলাদেশ সরে এলে ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্য সম্পর্কে ‘প্রভাব পড়বে’ ।
তিনি বলেন, ইউরোপের বাজারে শুল্কছাড়ের আলোচনার আবহও এয়ারবাস নিয়ে বাংলাদেশের সিদ্ধান্তের কারণে বদলে যেতে পারে।
বিমানের সিদ্ধান্ত: এতসব টানাহেঁচড়ার মধ্যে অবশ্য বিমানের চাওয়া বা না চাওয়ার কোন আলোচনা ছিল না।
এয়ারলাইন্স ব্যবসায় উড়োজাহাজের প্রয়োজন হলে সেই চাহিদা সংশ্লিষ্ট কোম্পানির তরফ থেকে আসার নিয়ম রয়েছে। এখানে যার জন্য উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে, সেই বিমানকেই রাখা হয়েছিল অন্ধকারে। তবে শেষ পর্যন্ত বিমানের পরিচালনা পর্ষদ বোয়িং কেনার সিদ্ধান্ত দিল।
বিমান থেকে জানানো হয়েছে, বোয়িং ও এয়ারবাস দুই পক্ষেরই প্রস্তাব বিমানের টেবিলে ছিল। সরকারের সবুজ সংকেত পাওয়ার পর গত ২৪ নভেম্বর বোয়িং আনুষ্ঠানিকভাবে বিমান বিক্রি, অন্যান্য শর্তাবলী ও সেগুলো ডেলিভারির বিষয়ে বিস্তারিত প্রস্তাব পাঠায়।
ওই প্রস্তাব অনুযায়ী বোয়িং থেকে ১৪টি এয়ারক্রাফট কেনার সিদ্ধান্ত দেয় বিমানের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে রয়েছে ৮টি সুপরিসর বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ২টি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং ৪টি ন্যারো বডির বোয়িং ৭৩৭-৮ মডেলের উড়োজাহাজ।
এখন বিমানের পক্ষ থেকে দরকষাকষির জন্য একটি কমিটি করা হবে। এই কমিটি প্রতিটি এয়ারক্রাফটের দাম ও অন্যান্য টেকনিক্যাল বিষয়ে বোয়িং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করবে।