
ইরানে হামলার আশঙ্কায় মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমেই উত্তেজনা বাড়ছে, সঙ্গে সামরিক উপস্থিতিও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমান বিশ্বের বৃহত্তম বিমানবাহী রণতরীর নাম ইউএসএস জেরাল্ড আর. ফোর্ড। গতকাল শুক্রবার মার্কিন এই রণতরী ইসরায়েলের উপকূলে পৌঁছেছে। এর পাশাপাশি বিমান হামলা চালাতে বহুসংখ্যক যুদ্ধবিমান ইসরায়েলের সামরিক ঘাঁটিতে মোতায়েন করা হয়েছে। এসব যুদ্ধবিমানের জ্বালানি সরবরাহকারী (রিফুয়েলিং) বিমান পাঠানোর প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে।
গত বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি চ্যানেল ১২ এবং টাইমস অব ইসরায়েল এসব তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে। তবে এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।
ওপেন-সোর্স ফ্লাইট ডেটা পর্যবেক্ষণকারী বিশ্লেষকদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, পাঁচটি মার্কিন কেসি-৪৬এ রিফুয়েলিং বিমান নিউ হ্যাম্পশায়ারের পোর্টসমাউথ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এবং আরেকটি ট্যাংকার নর্থ ক্যারোলাইনার সেমুর জনসন বিমানঘাঁটি থেকে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। দ্য টাইমস অব ইসরায়েললে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য মতে, ইরানে হামলার প্রস্তুতি হিসেবে মার্কিন এফ-৩৫, এগ-১৫, এবং এফ-১৬ যুদ্ধবিমানগুলোকে ইসরায়েলে পাঠানো হয়েছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়েছে, ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলার জন্যেই মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক উপস্থিতি জোরদার করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এ পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলতে পারে।