
রাজধানীর কাকরাইলে ইনস্টিটিউট অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স মিলনায়তনে জাতীয় নাগরিক পার্টি- এনসিপির উদ্যোগে শহিদ পরিবার ও আহতদের কণ্ঠে জনতার ১ দফা শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করা এবং দেশে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন শহিদ পরিবারের সদস্য ও আহত যোদ্ধারা।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর আজ। শহিদ মিনার থেকে এক দফা ঘোষণা হয়েছিল। এ ঐতিহাসিক দিনটি আমরা শহিদ পরিবার ও আহতদের সঙ্গে কাটাতে চাই। কারণ আমরা মনে করি, এক দফার আসল কারিগর জুলাইয়ের শহিদ ও আহত যোদ্ধারা।
এক দফা পুরোপুরি অর্জিত না হওয়ায় আক্ষেপ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, তিন তারিখ জনগণ চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছিল। সে ঘোষণায় ছিল শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং ফ্যাসিবাদী ব্যবস্থার পতন। এক দফা আংশিক অর্জিত হয়েছে। পুরোটা হয়নি, দুঃখজনকভাবে আন্দোলনে যারা আমাদের সঙ্গে ছিল তারা এর বিরোধিতা করেছে। এক দফা পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে আজকে আলিফের চোখ যেতো না। পুলিশসহ সব প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ হতো না। গ্রামে গ্রামে চাঁদাবাজি দুর্নীতি হতো না। চুলায় গ্যাস নেই, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ নেই। দেশের কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরিবর্তন একটাই হয়েছে, তারেক রহমান লন্ডন থেকে এসে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। গত ২ বছর দেশে কোনো পরিবর্তন হয়নি। তারেক রহমান ক্ষমতায় এসেছে ৫ মাস হচ্ছে। কিন্তু গত দুই বছর বিএনপির ভূমিকা ছিল। সংস্কারের বিপক্ষে তারা ভূমিকা রেখেছে।
শেখ হাসিনা দেশে আসলে সরাসরি ফাঁসি কার্যকর করা হবে উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনা যদি ডিসেম্বরে দেশে আসে। তারেক রহমান যদি দিল্লির সঙ্গে সমঝোতা করে তাকে দেশে আসার ব্যবস্থা করে, তাহলে আমরা প্রস্তুত আছি। এয়ারপোর্ট থেকে সরাসরি ফাঁসির মঞ্চে নেওয়া হবে। ১৪০০ শহিদ পরিবার, ৩০ হাজার আহত যোদ্ধা, নেমে আসবে, ফাঁসি কার্যকর করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে অবস্থান করব।