ঢাকা মঙ্গলবার, ০৪ আগস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

সুসংবাদ প্রতিদিন

দিনাজপুরে ড্রাগন চাষে মিলছে সফলতা

দিনাজপুরে ড্রাগন চাষে মিলছে সফলতা

উত্তরের জেলা দিনাজপুরে দিন দিন বাড়ছে বিদেশি ফল ড্রাগনের আবাদ। এই অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া ড্রাগন ফল চাষের জন্য জন্য উপযুক্ত হওয়ায় এবং কৃষকরা দাম ভাল পাওয়ায় ড্রাগন চাষে ঝুঁকছেন তারা। পুষ্টি গুণাগুণ ও স্বাস্থের জন্য ড্রাগন ফল বেশ উপকারী। তাই এই ফল চাষের জন্য বাগানীদের এবং নতুন কৃষি উদ্যোক্তাদের কারিগরি সহায়তা প্রদান করছে স্থানীয় কৃষি অফিস।

কৃষি নির্ভর উত্তরের জেলা দিনাজপুর। এই অঞ্চলে দেশি বিদেশি বিভিন্ন ফলের বাগান রয়েছে। এর মধ্যে কৃষকদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে বিদেশি ফল ড্রাগন।

দিনাজপুরে বানিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে ড্রাগন বাগান। ড্রাগন ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ফাইবার, ভিটামিন সি এবং ব্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ অনেক বেশি। পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থের জন্য উপাকারি হওয়ার কারনে ড্রাগনকে সুপার ফুড বলা হয়।

বর্তমান বাজারে ড্রাগন ফল চাষিরা বিক্রি করছেন দেড়শ টাকা কেজি দরে। দাম ও ফলন ভাল পাওয়ায় দিন দিন বাড়ছে এই ফলের চাষ। অনেক কৃষক আম ও লিচু বাগানে মধ্যে সাথি ফসল হিসেবে ড্রাগন চাষ করে বাড়তি মুনাফা পাচ্ছেন। অন্যান্য ফলের তুলনায় সার ও পরিচর্যায় ঝামেলা কম এবং কীটনাশক খরচ নেই বলে ড্রাগন বেশ লাভজনক ফল বলে জানালেন স্থানীয় চাষীরা।

বাণিজ্যিকভাবে ড্রাগন ফলের বাগান এই অঞ্চলে গড়ে ওঠায় স্থানীয় কৃষি শ্রমিকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হয়েছে।

দিনাজপুর জেলা সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আফজাল হোসেন বলেন, ড্রাগন গাছ থেকে বছরে ৫ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত ফল সংগ্রহ করা যায়। সে কারণেই কৃষকরা এই ফলে বেশ উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন। তাই নতুন চাষী ও কৃষি উদ্যোক্তাদের সার্বিক সহায়তা দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি অফিস।

উল্লেখ্য, দিনাজপুর জেলায় মোট ২৮ হেক্টর জমিতে ড্রাগন ফলের বাগান রয়েছে এবং এ সব বাগান থেকে প্রতি বছর ফল উৎপাদন হয় ২১৯ মেট্রিক টন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত