
চোখে হেডসেট, পকেটে ছোট একটি কম্পিউটিং প্যাক। সামনে দেখা যাচ্ছে ভার্চুয়াল কিবোর্ড, পাশে ট্র্যাকপ্যাড। চাইলে ইমার্সিভ ভিডিও দেখা যাচ্ছে, আবার একই ডিভাইস দিয়ে অফিসের কাজ, ওয়েব ব্রাউজিং, গেম খেলা কিংবা ভিডিও কনফারেন্সও করা যাচ্ছে। এমন অভিজ্ঞতা নিয়েই অ্যাপলের ভিশন প্রোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে নতুন ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেট এনেছে মেটা।
নতুন ডিভাইসটির নাম মেটা ভিআর গ্লাসেস। দাম ১ হাজার ২৯৯ ডলার। দামের পাশাপাশি ওজনেও এটি অ্যাপলের ভিশন প্রোর চেয়ে অনেকটাই কম। তবে শুধু দাম কম হলেই কি অ্যাপলের ভিশন প্রোর সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা সম্ভব? মেটার নতুন হেডসেটের নকশা, ব্যাটারি, ডিসপ্লে ও ব্যবহারের সুবিধাগুলো দেখলে বিষয়টি কিছুটা পরিষ্কার হয়।
হেডসেটের ভার কম, কম্পিউটার পকেটে : নতুন হেডসেটটির সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এর নকশায়। সাধারণভাবে হেডসেটের ভেতরেই প্রসেসর, কুলিং ফ্যান, ব্যাটারি ও অন্যান্য কম্পিউটিং যন্ত্রাংশ থাকে। মেটা এবার সেগুলো হেডসেটের বাইরে নিয়ে গেছে। এসব যন্ত্রাংশ রাখা হয়েছে আলাদা একটি প্যাকে। সেটি পকেটে ক্লিপ করে রাখা যাবে, আবার টেবিলের ওপরও রাখা যাবে। ফলে হেডসেটটির ওজন দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০০ গ্রামে। অ্যাপলের ভিশন প্রোর তুলনায় এটি প্রায় এক-ষষ্ঠাংশ এবং মেটার কোয়েস্ট ৩এসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের সময় এই হালকা নকশা বেশ আরামদায়ক বলে প্রদর্শনীতে দেখা গেছে।
ভিশন প্রোর অনেক সুবিধাই থাকছে : ব্যবহারের ক্ষেত্রে মেটার নতুন হেডসেটটি ভিশন প্রো ও কোয়েস্ট সিরিজের বেশ কিছু সুবিধা এক জায়গায় নিয়ে এসেছে। এতে ইমার্সিভ ভিডিও দেখা যাবে। অফিসের কাজ করা যাবে। ম্যাক বা পিসির বাইরের মনিটর হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে। রয়েছে ওয়েব ব্রাউজিং, গেম খেলা ও ভিডিও কনফারেন্সের সুবিধা। এর সঙ্গে ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্টও থাকছে।