ঢাকা সোমবার, ২৪ আগস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাসের দাবি

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাসের দাবি

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশের দাবি জানিয়েছে ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন অব দি রুরাল পূয়র (ডরপ)। গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ডরপ আয়োজিত ‘জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশের প্রয়োজনীয়তা’ শীর্ষক সেমিনারে এ দাবি জানানো হয়। ডরপের উপনির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ যোবায়ের হাসান মূল প্রবন্ধে ছয়টি প্রস্তাব উত্থাপন করেন। সেগুলো হলো- সব প্রকার পাবলিক প্লেস ও পাবলিক পরিবহনে ধূমপানের জন্য নির্ধারিত স্থান বিলুপ্ত করা, বিক্রয়কেন্দ্রে তামাকপণ্যের প্রদর্শন নিষিদ্ধ করা, তামাক কোম্পানির সামাজিক দায়বদ্ধতা কার্যক্রম (সিএসআর) নিষিদ্ধ করা, শিশু-কিশোর ও তরুণদের ই-সিগারেটের ক্ষতি থেকে রক্ষায় ব্যবস্থা গ্রহণ, খুচরা ও খোলা তামাকপণ্য বিক্রয় বন্ধ করা এবং স্বাস্থ্য সতর্কবার্তার আকার ৫০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ করা। সেমিনারে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেন, তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনে আইনের প্রস্তাবিত সংশোধনী দ্রুত পাশের বিকল্প নেই। এ প্রক্রিয়ায় তামাক কোম্পানির মতামত নেওয়ার কোনো সুযোগ নাই। জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের মহাপরিচালক মো. আখতারউজ-জামান বলেন, প্রতিবছর বাংলাদেশে তামাকজনিত রোগে ১ লাখ ৬১ হাজার মানুষ মারা যায়। তবুও তামাক কোম্পানিগুলো বিভ্রান্তিকর প্রচার চালায়। ২০০৫ সালে আইন প্রণয়ন ও ২০১৩ সালে সংশোধনের পর সরকারের রাজস্ব আয় বেড়েছে সাড়ে ১২ গুণ। আবার ২০০৯ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে তামাক ব্যবহার ১৮ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। সূত্র: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত