
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন করপোরেশনের (বিআরটিসি) বাস ইজারা দেওয়ার প্রথা বন্ধের দাবি জানিয়েছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন। সংগঠনটির দাবি, জনগণের করের টাকায় কেনা বিআরটিসির বাস জনসাধারণের পরিবহন সেবায় ব্যবহৃত না হয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ইজারা দেওয়া হচ্ছে, যার ফলে সাধারণ যাত্রীরা প্রত্যাশিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। গতকাল রোববার সকালে সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এ আই মাহবুব উদ্দিন আহমেদ, ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক হাসিনা বেগম, ড. কামরান উল বাছেত, আব্দুল্লাহ মো. ফেরদৌস খান এবং নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমান এ দাবি জানান।
এতে বলা হয়, বিআরটিসি একটি রাষ্ট্রীয় পরিবহন সেবা প্রতিষ্ঠান। জনগণের করের টাকায় কেনা বাসগুলোর কাঠামো ও সাশ্রয়ী ভাড়া যাত্রীবান্ধব হলেও দীর্ঘদিন ধরে বিপুল সংখ্যক বাস বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ইজারা দেওয়া হচ্ছে। এসব বাস সকালে শিক্ষার্থী বা কর্মীদের গন্তব্যে পৌঁছে দিয়ে সারাদিন অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকে এবং বিকেলে পুনরায় তাদের ফেরত আনে। অন্যদিকে রাজধানীর সড়কে অসংখ্য নারী, শিশু, বয়স্ক ও কর্মজীবী মানুষ জরাজীর্ণ বেসরকারি বাসে কষ্ট করে যাতায়াত করছেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, বিআরটিসির বাস ইজারা দেওয়ার আইনগত ভিত্তি রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। লোকসানের অজুহাতে জনসাধারণকে সেবা থেকে বঞ্চিত করে বাস ইজারা দেওয়া বন্ধ করতে হবে।