
অপরাধ দমন, মাদক নিয়ন্ত্রণ, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন, মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদের সার্বিক নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন বিভিন্ন জেলায় বিশেষ অভিযান জোরদার করা হয়েছে। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বিকালে রংপুর রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের মিডিয়া সেল সংবাদ মাধ্যমে জানায় ২৪ ঘণ্টায় কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নীলফামারী, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট জেলায় পরিচালিত পৃথক বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং মাদকসংক্রান্ত অপরাধে জড়িতসহ ৮২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে সংশ্লিষ্ট জেলা পুলিশ।
কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ ১৫ জন : মাদকবিরোধী অভিযানে ৬ পিস ইয়াবাসহ একজন এবং ০.৫০ গ্রাম হেরোইনসহ দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন মামলায় ওয়ারেন্টভুক্ত ও অন্যান্য আসামিসহ মোট ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পৃথক অভিযানে বিভিন্ন মামলার তিনজন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
গাইবান্ধা জেলা পুলিশ চারজন : গাইবান্ধা সদর ও পলাশবাড়ী থানা এলাকায় পৃথক মাদকবিরোধী অভিযানে তিন গ্রাম হেরোইন ও ৫১ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। মাদক ব্যবসা ও মাদক সেবনের অভিযোগে মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম চলমান/সম্পন্ন করা হয়েছে।
নীলফামারী জেলা পুলিশ ২২ জন:জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে নিয়মিত মামলা, পূর্বের মামলা এবং গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিসহ মোট ২২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ঠাকুরগাঁও জেলা পুলিশ ১৭ জন : জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং অন্যান্য অপরাধে জড়িত মোট ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রাণীশংকৈল থানা পুলিশের অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও মাদক বিক্রির ৬০০ টাকা উদ্ধার করা হয়। পৃথক অভিযানে ১ জন ভিকটিমকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
পঞ্চগড় জেলা পুলিশ ১১ জন :পঞ্চগড় সদর: দেবীগঞ্জ, বোদা, তেঁতুলিয়া ও আটোয়ারী থানা এলাকায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার আসামি, মাদক মামলার আসামি ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিসহ মোট ১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
লালমনিরহাট জেলা পুলিশ : ১৩ জন :জেলার বিভিন্ন থানায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ওয়ারেন্টভুক্ত, পূর্বের মামলার আসামি এবং নিয়মিত মামলার আসামিসহ মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ অপরাধ দমনে জেলা পুলিশসমূহকে গোয়েন্দা তথ্যের কার্যকর ব্যবহার, অপরাধপ্রবণ এলাকায় নজরদারি বৃদ্ধি, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন এবং অপরাধ সংঘটনের আগেই সম্ভাব্য ঝুঁকি শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন। তাঁর নির্দেশনায় রংপুর রেঞ্জের আওতাধীন জেলা পুলিশসমূহের মধ্যে সমন্বিত কার্যক্রম, তথ্য আদান-প্রদান, নিয়মিত মনিটরিং এবং দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে।