
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকা, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইলিশ মাছের ইনডোর বা কৃত্রিম পরিবেশে চাষ সংক্রান্ত যে আলোচনা ও তথ্য প্রকাশিত হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করেছে।
বিশেষ প্রযুক্তি রিসার্কুলেটিং অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেম (জঅঝ) ব্যবহার করে ইনডোর, সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রিত ও নিবিড় পদ্ধতিতে ইলিশ ও বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ চাষ সংক্রান্ত একটি সভা গত রোববার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতারের সভাপতিত্বে সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভার সার্বিক পর্যালোচনায় প্রতীয়মান হয় যে, ইলিশ মাছ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক নির্দেশক (এও) পণ্য। দেশের নদী ও উপকূলীয় প্রাকৃতিক বাস্তুতন্ত্র, খাদ্য নিরাপত্তা, ঐতিহ্য এবং বিপুলসংখ্যক জেলে ও মৎস্যজীবীর জীবিকার সঙ্গে ইলিশ ওতপ্রোতভাবে জড়িত। ইলিশের উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা মূলত প্রাকৃতিক প্রজনন চক্র এবং নদীনির্ভর পরিবেশের ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় এ সংক্রান্ত যে কোনো উদ্যোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং নীতিনির্ভর বিষয়। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি