
ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যাংকিং কাঠামোর আওতায় আনার প্রস্তাবিত ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক অধ্যাদেশ-২০২৫’ অবিলম্বে বাতিলের দাবি জানিয়েছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। তাদের মতে, ব্যাংকিং ব্যবস্থার আড়ালে ক্ষুদ্রঋণ খাতকে ধ্বংস করার সুস্পষ্ট নীলনকশা বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে ‘ক্ষুদ্রঋণকে ব্যাংকিং কাঠামোয় রূপান্তরের ঝুঁকি’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তারা। সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে কোস্ট ফাউন্ডেশন, ইক্যুইটিবিডি এবং বিডিসিএসও-প্রসেস। বক্তারা বলেন, দেশে বিদ্যমান ৬৭টি ব্যাংক পরিচালনায় যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকই নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে, সেখানে শত শত এনজিও ও ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে ব্যাংকিং কাঠামোর আওতায় আনলে তা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে। তারা বলেন, ঝুঁকি তৈরি না করে বরং সঞ্চয়ের সুযোগ বাড়ানোর মাধ্যমে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো আরও আর্থিকভাবে শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিতে হবে। একইসঙ্গে অর্থ আত্মসাৎ প্রতিরোধে পাবলিক ডিমান্ড রিকভারি অ্যাক্টের আওতায় সার্টিফিকেট মামলা দায়েরের সুযোগ দেওয়ার দাবি জানান তারা।