
ইরান যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পর গত বুধবার দেশের শেয়ারবাজারে বড় উত্থান হয়। তবে এই যুদ্ধবিরতি নিয়ে সংশয় দেখা দেওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে আবার বড় দরপতন হয়ছে। বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমায় প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) মূল্যসূচকের বড় পতন হয়েছে। সেই সঙ্গে কমেছে লেনদেনের গতি।
এর আগে ইরান যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসার পর বুধবার ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ১৬১ পয়েন্ট বেড়ে যায়। সেই সঙ্গে লেনদেন বেড়ে প্রায় হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি চলে আসে। কিন্তু যুদ্ধতিরতি ঘোষণার পর ইসরায়েল ব্যাপক বোমা হামলা চালায় লেবাননে। ফলে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আবার সংশয় দেখা দিয়েছে। যে কারণে বড় উত্থানের পর শেয়ারবাজারে আবার বড় দরপতন হয়েছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বাজার পর্যালোচনা দেখা যায়, বৃহস্পতিবার ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমার মাধ্যমে। এতে লেনদেনের শুরুতেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। লেনদেনের শেষ পর্যন্ত এই ধারা অব্যাহত থাকে। ফলে দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পাশাপাশি সবকটি মূল্যসূচকের বড় পতন দিয়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ৭০টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ৩০৬টির। আর ১৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৪২টির শেয়ার দাম বেড়েছে।