
জনাব মো. ওবায়দুল হক বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (Managing Director & CEO) হিসেবে যোগদান করেছেন। অত্র ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি জনতা ব্যাংক পিএলসির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং একই সঙ্গে এক্সিকিউটিভ কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও, তিনি এনআরবিসি ব্যাংক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে প্রিন্সিপাল হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বর্ণাঢ্য ব্যাংকিং ক্যারিয়ারের অধিকারী মে. ওবায়দুল হক ১৯৬৩ সালের ২৩ অক্টোবর ভোলা জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মার্কেটিং বিষয়ে অনার্সসহ বাণিজ্যে স্নাতক (B.Com Honours) এবং স্নাতকোত্তর (M.Com) ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ঢাকা কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক এবং দৌলতখান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। তিনি ১৯৯১ সালে ইনস্টিটিউট অব ব্যাংকার্স, বাংলাদেশ থেকে ডিএআইবিবি (ব্যাংকিং ডিপ্লোমা) ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে সেখানে পরীক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। তিন দশকেরও বেশি পেশাগত অভিজ্ঞতার অধিকারী জনাব হক মূলত বাংলাদেশ ব্যাংকে দীর্ঘ সময় কর্মরত ছিলেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে দায়িত্বরত ছিলেন এবং সর্বশেষ এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি এসএমই ও স্পেশাল প্রোগ্রামস ডিপার্টমেন্টের প্রধান হিসেবে নেতৃত্ব দেন এবং দ্বিতীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উন্নয়ন প্রকল্প (SMEDP-2)-এর প্রকল্প পরিচালক ছিলেন। তার কর্মজীবনের শুরুতে তিনি অন-সাইট ব্যাংকিং তদারকি, মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, প্রশাসন এবং বৈদেশিক মুদ্রানীতি ও পরিদর্শনসহ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে অবদান রাখেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংকের খুলনা অফিসের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনে তিনি জেনারেল ম্যানেজার, ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার, জয়েন্ট ডিরেক্টর, ডেপুটি ডিরেক্টর এবং অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরসহ বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন; এর মধ্যে বিশ্বব্যাংক আয়োজিত ব্যালান্স শিট বিশ্লেষণ ও ঝুঁকিভিত্তিক তদারকি বিষয়ক প্রশিক্ষণ এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের পৃষ্ঠপোষকতায় নীতি মূল্যায়ন ও প্রভাব বিশ্লেষণ বিষয়ক কোর্স উল্লেখযোগ্য, যা শ্রীলংকা, ভারত, থাইল্যান্ড এবং যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত হয়। তিনি ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি কর্মসূচির অধীনে ঈগঝগঊ খাতে ‘ট্রেইনার অব দ্য ট্রেইনারস’ হিসেবে স্বীকৃত। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি