ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

মসজিদে নববিতে জুমার খুতবা

আল্লাহর হেফাজতে সফলতা নিহিত

শায়খ ড. আলি বিন আবদুর রহমান আল হুজাইফি
আল্লাহর হেফাজতে সফলতা নিহিত

সফল ও বিজয়ী হয়েছে শুধু পরহেজগাররা। আর দুনিয়া ও আখিরাতে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যর্থ হয়েছে শুধু তারা, যারা নিজেদের খেয়াল-খুশি, কামনা-বাসনা ও পাপের অনুসরণ করে। এরা ধ্বংসপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘এরপর এরা যদি তোমার আহ্বানে সাড়া না দেয়, তা হলে জানবে এরা তো শুধু নিজেদের খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে। আল্লাহর পথনির্দেশ অগ্রাহ্য করে যে ব্যক্তি নিজ খেয়াল-খুশির অনুসরণ করে তা অপেক্ষা অধিক বিভ্রান্ত আর কে? আল্লাহ জালিম সম্প্রদায়কে পথনির্দেশ করেন না।’ (সুরা কাসাস, আয়াত: ৫০)

এবার আমি আপনাদের সামনে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামণ্ডএর একটি উপদেশ উল্লেখ করব, যা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধানসমূহকে একত্র করেছে। মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইবনে আব্বাস রা. কে বলেছিলেন, ‘হে বালক! আমি তোমাকে কিছু কথা শেখাব। তুমি আল্লাহকে হেফাজত করো, আল্লাহ তোমাকে হেফাজত করবেন। তুমি আল্লাহকে হেফাজত করো, তুমি তাঁকে তোমার সামনে পাবে। যখন কিছু চাইবে, আল্লাহর কাছেই চাও; আর যখন সাহায্য চাইবে, আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাও। জেনে রাখো, যদি সমগ্র উম্মত একত্রিত হয়ে তোমার কোনো উপকার করতে চায়, তারা তোমার কোনো উপকার করতে পারবে না, তবে সেটুকুই যা আল্লাহ তোমার জন্য লিখে রেখেছেন। আর যদি তারা একত্রিত হয়ে তোমার কোনো ক্ষতি করতে চায়, তারা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না, তবে সেটুকুই যা আল্লাহ তোমার ওপর লিখে রেখেছেন। কলম তুলে নেওয়া হয়েছে ও পৃষ্ঠাগুলো শুকিয়ে গেছে।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস: ২৫১৬) আরেক বর্ণনায় এসেছে, ‘তুমি আল্লাহকে হেফাজত করো, তুমি তাঁকে তোমার সামনে পাবে। স্বচ্ছল অবস্থায় আল্লাহকে চেনো, তিনি কঠিন অবস্থায় তোমাকে চিনবেন। জেনে রাখো, যা তোমাকে এড়িয়ে গেছে তা কখনও তোমার জন্য নির্ধারিত ছিল না, আর যা তোমার কাছে এসেছে তা কখনও তোমাকে এড়িয়ে যাওয়ার ছিল না। জেনে রাখো, সাহায্য আসে ধৈর্যের সঙ্গে, স্বস্তি আসে কষ্টের সঙ্গে, আর কষ্টের সঙ্গেই রয়েছে সহজতা।’

এই উপদেশটি সব ধরনের কল্যাণকে একত্র করেছে। সঙ্গে সঙ্গে সব ধরনের অকল্যাণ ও অপছন্দনীয় কাজ থেকে সতর্ক করেছে। ‘আল্লাহকে হেফাজত করো, তিনি তোমাকে হেফাজত করবেন’ এর অর্থ হলো, তাঁর আদেশসমূহ রক্ষা করো, সেগুলো নষ্ট করো না, অবহেলা করো না, তুচ্ছ মনে করো না; বরং তা মান্য করো ও সম্মান করো। আর তাঁর নিষেধ ও হারাম বিষয়গুলো থেকে নিজেকে রক্ষা করো। তার কাছেও যেও না, সেগুলোর কোনো কিছু করো না, বরং সেগুলো থেকে দূরে থাকো।

আদেশ ও নিষেধ মানা এবং দ্বীনকে রক্ষা করার প্রতিদান কী? এর প্রতিদান হলো, আল্লাহতায়ালা বান্দাকে হেফাজত করবেন তার দীনে, যা তার জীবনের নিরাপত্তা; তার দুনিয়াতে, যেখানে তার জীবিকা; তার আখেরাতে, যেখানে তার প্রত্যাবর্তন ও জান্নাত। তিনি তার জানা-অজানা সব ধর্মীয় ও দুনিয়াবি কল্যাণে তাকে হেফাজত করবেন। এমনকি তার মৃত্যুর পর তার সন্তান-সন্ততিকেও হেফাজত করবেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘মোমিন হয়ে পুরুষ ও নারীর মধ্যে যে কেউ সৎকর্ম করবে তাকে আমি নিশ্চয়ই পবিত্র জীবন দান করব। আর তাদের তাদের কর্মের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার প্রদান করব।’ (সুরা নাহল, আয়াত: ৯৭) আল্লাহতায়ালা আরও বলেন, ‘যে কেউ আল্লাহকে ভয় করে আল্লাহ তার পথ করে দেবেন এবং তাকে তার ধারণাতীত উৎস হতে দান করবেন রিজিক। যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর নির্ভর করে তার জন্যে আল্লাহই যথেষ্ট।’ (সুরা তালাক, আয়াত: ২-৩) আল্লাহতায়ালা হজরত মুসা (আ.) ও খিজির আ.-এর ঘটনায় বলেন, ‘আর ঐ প্রাচীরটি, এটা ছিল নগরবাসী দুই পিতৃহীন কিশোরের, এটার নিম্নদেশে আছে এদের গুপ্তধন এবং এদের পিতা ছিল সৎকর্মপরায়ণ। সুতরাং আপনার প্রতিপালক দয়াপরবশ হয়ে ইচ্ছা করলেন যে, এরা বয়ঃপ্রাপ্ত হোক এবং এরা এদের ধনভাণ্ডার উদ্ধার করুক। আমি নিজ হতে কিছু করি নাই।’ (সুরা কাহফ, আয়াত: ৮২) মহান আল্লাহ আরও বলেন, ‘তারা যেন ভয় করে যে, অসহায় সন্তান পিছনে ছেড়ে গেলে তারাও তাদের সম্বন্ধে উদ্বিগ্ন হতো। সুতরাং তারা যেন আল্লাহকে ভয় করে ও সংগত কথা বলে।’ (সুরা নিসা, আয়াত: ০৯) কিছু পূর্বসূরি তাদের সন্তানকে বলেছিলেন, ‘আমি আমার নামাজ বাড়িয়ে দিই, যাতে আমার পরে তোমাকে হেফাজত করা হয়।’

আল্লাহতায়ালা কিছু নেক আমলের ব্যাপারে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়েছেন। কারণ কেউ যখন এগুলো নিয়মিতভাবে রক্ষা করে, তখন সে অন্য আমলগুলোও অবশ্যই রক্ষা করে। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা নামাজের প্রতি যত্নবান হবে, বিশেষত মধ্যবর্তী নামাজের এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে তোমরা বিনীতভাবে দাঁড়াবে।’ (সূরা বাকারা, আয়াত: ২৩৮) মহান আল্লাহ আরও বলেন, ‘আর যারা নিজেদের সালাতসমূহে যত্নবান থাকে, তারাই হবে অধিকারী-অধিকারী হবে ফিরদাওসের যাতে এরা স্থায়ী হবে।’ (সুরা মুমিনুন, আয়াত: ৯-১১)

অতএব, যে ব্যক্তি জামাতের সঙ্গে পূর্ণভাবে নামাজ আদায় করে, সে অবশ্যই ইসলামের অন্যান্য স্তম্ভগুলোকেও রক্ষা করে। ফলে সে জাকাত যথাযথভাবে আদায় করে সম্পদের শাস্তি থেকে রক্ষা পায়। আল্লাহ তার উপর সন্তুষ্ট হন; সে রমজানের রোজা রাখে, কাবাঘরের হজ আদায় করে, তাওহিদ প্রতিষ্ঠা করে। অন্যান্য সব আমলে ইসলামের স্তম্ভগুলোর অনুসারী হয়ে থাকে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তাআলার নিম্নোক্ত বাণী মেনে চলে- ‘মুমিনদের বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে; এটাই তাদের জন্যে উত্তম। এরা যা করে নিশ্চয় আল্লাহ সে বিষয়ে সম্যক অবহিত। আর মুমিন নারীদের বল, তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে সংযত করে ও তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে।’ (সুরা নুর, আয়াত: ৩০-৩১) মহান আল্লাহর এই বাণী, ‘আর তোমরা স্বগৃহে অবস্থান করবে ও প্রাচীন যুগের মতো নিজেদের প্রদর্শন করে বেড়াবে না। তোমরা নামাজ কায়েম করবে ও জাকাত প্রদান করবে এবং আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের অনুগত থাকবে।’ (সুরা আহজাব, আয়াত: ৩৩) যে ব্যক্তি তার লজ্জাস্থান হেফাজত করে, সে অবশ্যই তার অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গকেও আরও বেশি হেফাজত করে। মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আমাকে তার দুই চোয়ালের মাঝের জিহ্বা ও দুই পায়ের মাঝের লজ্জাস্থান হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তাকে জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬৪৭৪)

‘তুমি আল্লাহকে হেফাজত করো, তুমি তাঁকে তোমার সামনে পাবে’। এর অর্থ হলো, তুমি তাঁর সেই দ্বীনকে হেফাজত করো, যা তিনি বান্দাদের জন্য পছন্দ করেছেন; তাহলে তুমি আল্লাহকে তোমার সামনে ও তোমার সঙ্গে পাবে। রহমত, সাহায্য, সমর্থন, বিজয়, তত্ত্বাবধান, অনুগ্রহ, কল্যাণ দান এবং অকল্যাণ ও অপছন্দনীয় বিষয় থেকে তিনি রক্ষা করবেন। আর যদি তোমার ওপর কোনো কষ্ট আসে, তাহলে সেটি তোমার মর্যাদা বৃদ্ধি করবে, আখেরাতে তোমার জন্য সঞ্চিত সওয়াব হবে। মহানবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘মুমিনের ব্যাপারটি আশ্চর্যজনক। তার সব অবস্থাই কল্যাণকর। যদি সে সুখ পায়, সে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, ফলে তা তার জন্য ভালো হয়। আর যদি কষ্ট পায়, তাহলে সে ধৈর্য ধারণ করে, ফলে তাও তার জন্য ভালো হয়। আর এটি মুমিন ছাড়া আর কারো জন্য নয়।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ৭৩৯০)

‘আর যখন কিছু চাইবে, আল্লাহর কাছেই চাও!’ অর্থাৎ তোমার সব প্রয়োজন আল্লাহর কাছেই পেশ করো, যিনি সৃষ্টিজগতের রব, যার হাতে দুনিয়া ও আখেরাত, যার ভাণ্ডার পরিপূর্ণ, খরচ করলেও তা কমে না। যদি সব মানুষ একত্রিত হয়ে আল্লাহর কাছে চায়, আর তিনি প্রত্যেককে তার চাওয়া ও আশা অনুযায়ী দেন, তবুও তাঁর ভাণ্ডার থেকে কিছুই কমবে না। যেমন বিশাল সমুদ্র থেকে আঙুলে লাগা এক ফোঁটা পানিতে কোনো ঘাটতি হয় না। কিন্তু বিশ্বাসীরা কোথায়? সবসময় প্রার্থনাকারীরা কোথায়?

‘আর যখন সাহায্য চাইবে, আল্লাহর কাছেই সাহায্য চাও।’ সাহায্য প্রার্থনা করা বড় ইবাদত। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘আমরা শুধু তোমারই ইবাদত করি, শুধু তোমারই সাহায্য প্রার্থনা করি।’ (সুরা ফাতিহা, আয়াত: ০৫) যেসব বিষয়ে শুধু আল্লাহই ক্ষমতাবান, সেসব বিষয়ে শুধু তাঁর কাছেই সাহায্য চাইতে হবে। যে ব্যক্তি এমন বিষয়ে কোনো সৃষ্টির কাছে সাহায্য চায়, যা শুধু আল্লাহই করতে পারেন, সে ইবাদতে আল্লাহর সাথে শরিক করে। ‘কলম তুলে নেওয়া হয়েছে ও পৃষ্ঠাসমূহ শুকিয়ে গেছে’ এর অর্থ হলো, তাকদিরের কলম লেখা শেষ করেছে। সব নির্ধারণ সম্পন্ন হয়েছে। এগুলো পরিবর্তন হবে না। যা লেখা হয়েছে তা হবেই, আর যা লেখা হয়নি তা কখনো ঘটবে না।

‘স্বচ্ছল অবস্থায় আল্লাহকে চেনো, তিনি কঠিন অবস্থায় তোমাকে চিনবেন।’ অর্থাৎ তুমি বেশি বেশি নেক কাজ করো, তাহলে বিপদ এলে তিনি তোমাকে রক্ষা করবেন ও সব সংকট থেকে উদ্ধার করবেন। ‘জেনে রাখো, সাহায্য ধৈর্যের সঙ্গে’ অর্থাৎ সাহায্য ধৈর্যের সাথেই থাকে; তিনি বলেননি যে, সাহায্য ধৈর্যের পরে আসে। ‘স্বস্তি কষ্টের সঙ্গে’ অর্থাৎ কষ্টের সাথেই থাকে; তিনি বলেননি যে, স্বস্তি কষ্টের পরে আসে। ‘কষ্টের সঙ্গে সহজতা রয়েছে’ অর্থাৎ সহজতাও তার সঙ্গে থাকে; তিনি বলেননি যে, সহজতা পরে আসে। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে রহমত। এটি আল্লাহ তাআলার এই বাণীর সাথে মিল রয়েছে, ‘কষ্টের সঙ্গেই তো স্বস্তি আছে। অবশ্য কষ্টের সঙ্গেই স্বস্তি আছে।’ (সুরা ইনশিরাহ, আয়াত: ৫-৬) এই আয়াতটি আরও জোরালো। এমনকি কিছু মুফাসসির বলেছেন, একটি কষ্ট দুইটি সহজতাকে পরাজিত করতে পারে না। কষ্ট একটিই, আর সহজতা একাধিক। এই হাদিসটি শরীরের আমল ও অন্তরের আমলকে একত্র করেছে। সুতরাং ধন্য সেই ব্যক্তি, যে এর উপর আমল করে; আর ধ্বংস সেই ব্যক্তি, যে এর উপর আমল করা থেকে বঞ্চিত। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তারা তওবাকারী, ইবাদতকারী, আল্লাহর প্রশংসাকারী, রোজা পালনকারী, রুকুকারী, সেজদাকারী, সৎকাজের নির্দেশদাতা, অসৎকাজে নিষেধকারী ও আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা সংরক্ষণকারী; এই মুমিনদের তুমি শুভ সংবাদ দাও।’ (সুরা তওবা, আয়াত: ১১২)

তোমরা তোমাদের অর্জিত নেক আমলগুলো রক্ষা করো, আশা-আকাঙ্ক্ষা ও দীর্ঘ জীবনের সুযোগে বিভ্রান্ত হয়ো না। দুনিয়াতে স্থায়ী কোনো আবাস নেই; তোমরা সবাই এমন এক চিরস্থায়ী আবাসের দিকে অগ্রসর হচ্ছ যা হয় জান্নাত, নয় জাহান্নাম। আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘তোমাদের সঙ্গে যা ওয়াদা করা হয়েছে তা বাস্তবায়িত হবেই, তোমরা তা ব্যর্থ করতে পারবে না।’ (সুরা আনআম, আয়াত: ১৩৪) তিনি আরও বলেন, ‘এদের নিকট এসেছে সুসংবাদ, যাতে আছে সাবধান বাণী; এটা পরিপূর্ণ জ্ঞান, তবে এই সতর্কবাণী এদের কোন উপকারে আসে নাই।’ (সুরা কামার, আয়াত: ৪-৫) মহান আল্লাহ আরও বলেন, ‘সেদিন আমি জাহান্নামকে জিজ্ঞাসা করব, ‘তুমি কি পূর্ণ হয়ে গেছো?’ জাহান্নাম বলবে, ‘আরও আছে কি?’ আর জান্নাতকে নিকটস্থ করা হবে মুত্তাকিদের, কোন দূরত্ব থাকবে না। এটারই প্রতিশ্রুতি তোমাদের দেওয়া হয়েছিল। প্রত্যেক আল্লাহ-অভিমুখী, হেফাজতকারীর জন্যে- যারা না দেখে দয়াময় আল্লাহকে ভয় করে ও বিনীত চিত্তে উপস্থিত হয়। তাদেরকে বলা হবে, ‘শান্তির সঙ্গে তোমরা এতে প্রবেশ কর; তা অনন্ত জীবনের দিন।’ এখানে তারা যা কামনা করবে তাই পাবে। আর আমার নিকট রয়েছে তারও অধিক।’ (সুরা কাফ, আয়াত: ৩০-৩৫)

(১৮-০১-১৪৪৮ হিজরি মোতাবেক ০৩-০৭-২০২৬ খ্রিস্টাব্দে মসজিদে নববিতে প্রদত্ত জুমার খুতবার সংক্ষেপিত অনুবাদ করেছেন জামিয়া ইসলামিয়া ইসলামবাগের মুহাদ্দিস- আবদুল কাইয়ুম শেখ)

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত