
চার বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ফিরেছে জিম্বাবুয়ে। ব্রেন্ডন টেলর ফিরেছেন এক যুগ পর। গতকাল সোমবার কলম্বোর সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাব (এসএসসি) গ্রাউন্ডে প্রত্যাবর্তনের এই ম্যাচে বড় ব্যবধানে জিতেছে জিম্বাবুয়ে। ‘বি’ গ্রুপের ম্যাচে ওমানকে ১০৩ রানে অলআউট করে স্কোরটা ৮ উইকেট ও ৩৯ বল হাতে রেখে পেরিয়েছে জিম্বাবুয়ে। ২০০৭ সালে প্রথম টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলা টেলর ভালো অবদানই রেখেছেন দলের জয়ে। দৌড়াতে সমস্যা হওয়ায় উঠে যাওয়ার আগে ৩০ বলে ৩১ রান করেছেন ৪০ বছর বয়সী এই উইকেটকিপার ব্যাটসম্যান। টেলর যখন উঠে যান জয় থেকে মাত্র ৬ রান দূরে জিম্বাবুয়ে। ৪ বল পরই চার মেরে দলকে জয়ের বন্দরে নিয়ে যান টেলরের জায়গায় ব্যাটিংয়ে নামা সিকান্দার রাজা। অন্য প্রান্তে ৩৬ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত ছিলেন ওপেনার ব্রায়ান বেনেট। তাছাড়া বল হাতে দলকে সাফল্য এনে দিলেন ব্লেসিং মুজারাবানি। সঙ্গে রিচার্ড এনগারাভা ও ব্র্যাড ইভান্সের তোপে একশ’ পেরুতেই ওমানকে গুটিয়ে দিল জিম্বাবুয়ে। দাপুটে জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করল তারা। জিম্বাবুয়ের জয় ৮ উইকেটে। ওমানের ১০৩ রান পেরিয়ে যায় তারা ৩৯ বল বাকি থাকতে।
টস জিতে বোলিং নিয়ে ওমানকে চেপে ধরে জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় ওভার করতে এসে প্রথম বলেই জাতিন্দার সিংয়ের স্টাম্প ভেঙে দেন মুজারাবানি। পরের ওভারে হাম্মা মির্জাকে কট বিহাইন্ড করে দেন এনগারাভা। নিজের দ্বিতীয় ওভারে জোড়া শিকার ধরে ওমানকে কোণঠাসা করে ফেলেন মুজারাবানি। সপ্তম ওভারে ওয়াসিম আলিকে বোল্ড করে দেন সিকান্দার রাজা। ওমানের প্রথম পাঁচ ব্যাটসম্যানের কেউ পাঁচের বেশি রান করতে পারেননি। যার মধ্যে দুইজন তো রানের খাতাই খুলতে পারেননি। ২৭ রানে ৫ উইকেট হারানো ওমানকে কিছুক্ষণ টানেন সুফিয়াম মেহমুদ ও ভিনায়াক শুক্লা। তাদের জুটিতে আসে ৪২ রান। ভিনায়াককে কট বিহাইন্ড করে যুগলবন্দি ভাঙেন এনগারাভা। ওই ওভারেই জিতেন রামানান্দিকে ফেরান তিনি। সুফিয়ানকে বিদায় করা ইভান্স শেষ ওভারে ধরেন নাদিম খান ও শাকিল আহমেদের শিকার। রান তাড়ায় আগ্রাসী শুরু করেন টাডিওয়ানাশে মারুমানি। দ্বিতীয় ওভারে শাকিলকে টানা চারটি চার মারেন তিনি। সুফিয়ানের বলে ওয়াসিমের দুর্দান্ত ক্যাচে শেষ হয় তার পাঁচ চারে গড়া ১১ বলে ২১ রানের ইনিংস। এক বল পর ডিওন মেয়ার্স হয়ে যান কট বিহাইন্ড। ৩০ রানে ২ উইকেট হারানো জিম্বাবুয়ে লক্ষ্যের কাছে পৌঁছে যায় ব্রেন্ডান টেইলর ও ব্রায়ান বেনেটের ৬৮ রানের জুটিতে। ত্রয়োদশ ওভারে দৌড়ে রান নিতে গিয়ে পায়ে টান লাগে টেইলরের। পরে ‘রিটায়ার্ড হার্ট’ হয়ে উঠে যান ৩ চারে ৩১ রান করা অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান।