ঢাকা শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ফের ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত মেসি

ফের ইতিহাস গড়তে প্রস্তুত মেসি

রোজারিও শহরের অসংখ্য শিশু বেড়ে ওঠে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে। সড়ক থেকে ক্লাব সব জায়গাতেই ভবিষ্যত তারকাদের ছড়াছড়ি। এমন জায়গা থেকেই শুরু করেছিলেন মেসি ও রদ্রিগেজ। তবে কিছুদিন পর দুজনের পথ আলাদা হয়ে যায়। খুব অল্প বয়সেই ইউরোপে পাড়ি জমান মেসি। অন্যদিকে রদ্রিগেজ ধাপে ধাপে বড় হয়ে নিজ দেশ ও দেশের ক্লাবের বড় তারকা হিসেবেই নিজেকে পরিচিত করান। তবে ঝলমলে ক্লাব ক্যারিয়ারের শেষভাগে এসে ঘুচে গেছে আন্তর্জাতিক ফুটবলের অপূর্ণতা, দেশকে দুটি কোপা আমেরিকা জেতানোর মাঝে উঁচিয়ে ধরেছেন বিশ্বকাপও। লিওনেল মেসির অর্জনের ভাণ্ডার এককথায় কানায় কানায় পূর্ন। তারপরও সবুজ আঙিনায় এখনও ছুটে চলেছেন তিনি, জন্ম দিচ্ছেন নতুন নতুন কীর্তির। এখন সামনে আরেকটি বিশ্বকাপ, বিশ্ব সেরার মুকুট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ। আগামী ২৪ জুন ৩৯তম জন্মদিনের কেক কাটবেন মেসি। এই বয়সে বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখার মতো ভীষণ কঠিন চ্যালেঞ্জ নেওয়ার মানসিক শক্তি কোথা থেকে পান তিনি, উত্তরটা দিলেন তার একসময়ের সতীর্থ মাক্সি রদ্রিগেস। বললেন, বেশি কিছু নয়, আরও সাফল্যের ক্ষুধাই মেসির চালিকা শক্তি। মেসির সঙ্গে ২০০৬, ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপ খেলেছেন উইঙ্গার রদ্রিগেস। সাবেক বার্সেলোনা ফরোয়ার্ডকে তিনি যতটা ভালোভাবে চিনেন, জানেন- আর্জেন্টিনার বর্তমান-সাবেক দলের খুব কম সদস্যই জানেন। কারণটা শুধু জাতীয় দলে তাদের একসঙ্গে কাটানো সময়ের জন্য নয়, বরং তাদের ক্যারিয়ারের একই উৎসের কারণে। দুজনের ফুটবলের হাতেকড়ি আর্জেন্টাইন ক্লাব নিওয়েল’স ওল্ড বয়েজে। সেখান থেকে কয়েক বছর পর, দুজনের চলার পথ নতুন মোড় নেয়। শৈশবের ওই ক্লাবের হয়ে সিনিয়র ফুটবলে যাত্রা শুরু হয় রদ্রিগেসের আর মেসি পাড়ি জমান ইউরোপে, বার্সেলোনার জার্সি গায়ে হয়ে ওঠেন বিশ্বসেরা।

পরে জাতীয় দলেই দুজনের পথ মিলে যায়। একসঙ্গে তারা তিনটি বিশ্বকাপ খেললেও, জাতীয় দলের হয়ে কোনো শিরোপা জিততে না পারার হতাশা নিয়ে বিদায় নেন রদ্রিগেস। তবে, অনেক প্রতিবন্ধকতা আর হতাশার অধ্যায় পেরিয়ে ২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জিতে খরা কাটান মেসি, পরের বছর কাতারে দেশকে করেন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন, এর দুই বছর পর আবার তার কাঁধে চড়েই কোপা আমেরিকার শিরোপা ধরে রাখে আলবিসেলেস্তেরা।

সবকিছু জয় করা শেষ, বয়সও হয়েছে ঢের। তাহলে আবার কেন বিশ্ব সেরার মুকুট ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নেওয়া, মেসিকে ঘিরে এই প্রশ্ন উদয় হতে পারে অনেকের মনে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত