
ফ্রি-কিক থেকে জোরাল হেডে গোল করেই বাঁধানহারা উল্লাসে মেতে উঠলেন তমাস সৌচেক। চেকিয়ার তারকা মিডফিল্ডার ছুটে গেলেন কর্নার স্ট্যান্ডের দিকে। কিন্তু সেখানেই দাঁড়িয়ে থাকা সহকারি রেফারি তখন পতাকা উঁচিয়ে ধরে আছেন। অফ সাইড! সেটির রেশ থাকতে থাকতেই পুরো উল্টো গেল ছবি। অন্য প্রান্তে দারুণ এক দলীয় গোলে এগিয়ে গেল দক্ষিণ কোরিয়া। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত গড়ে দিল ব্যবধান। ২০২৬ বিশ্বকাপের দ্বিতীয় ম্যাচে উত্তেজনায় ঠাসা দ্বিতীয়ার্ধে বল জালে ঢুকল চারবার। গোল হলো তিনটি।
গতিময় ফুটবলের প্রদর্শনীতে গতকাল শুক্রবার চেকিয়াকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্ব আসরে শুভ সূচনা করল দক্ষিণ কোরিয়া। মেক্সিকোর গুয়াদালহারার সাপোপানে খেলার ধারার অনেকটা বিপরীতে গোল করে চেকিয়াকে এগিয়ে দিয়েছিলেন লাজিস্লাভ ক্রেইচি। কিন্তু মোহনীয় এক গোলে এশিয়া টাইগারদের সমতায় ফেরান হং ইন-বম। পরে তার পাস থেকেই গোল করেন ওহ হিউন-গিউ। সেটিই হয়ে থাকে জয়সূচক গোল। ২০১০ বিশ্বকাপের পর প্রথমবার জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করতে পারল দক্ষিণ কোরিয়া। কোরিয়ানদের বড় ভরসা, দেশের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডের জন্য যার প্রয়োজন আর মোটে দুটি গোল, সেই সন হিউং-মিন একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করেন। এক পর্যায়ে তাকে তুলে নেওয়া হয়। তার হতাশাজনক পারফরম্যান্সের খেসারত শেষ পর্যন্ত দিতে হয়নি দলকে।
শুরু থেকেই দাপুটে ফুটবলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় কোরিয়া। প্রতিপক্ষ ব্যস্ত ছিল মূলত আক্রমণ ঠেকাতেই। সনের শট আটকে যায় চেকিয়ার রক্ষণ দেয়ালে। লি হ্যান-বমের হেড উড়ে যায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে। পিএসজির উইঙ্গার লি গাং-ইনের বাঁ পায়ের শট ঠেকিয়ে দেন চেকিয়ার গোলকিপার মাতেই কোভার। মিনিট তিনেকের মধ্যেই হয়ে যায় এত কিছু। চেকিয়া প্রথম উল্লেখযোগ্য সুযোগ পায় ২২তম মিনিটে।
কাছ থেকেও গোল করতে পারেননি সৌচেক।