
স্কোরকার্ডে দুই দলের ব্যবধান স্পষ্ট। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া একাদশ পেয়েছে বড় লিড। তবে ক্রিকেটে তো নিরেট পরিসংখ্যানের বাইরেও গল্প আছে। বিশেষ করে, প্রস্তুতি ম্যাচ হলে সেখানে পরখ করে নেওয়ার অনেক কিছুই থাকে। সেদিক থেকে বাংলাদেশের বোলারদের প্রস্তুতি খুব ভালো হয়েছে বলেই মনে করেন হাসান মাহমুদ।
হাসানের প্রস্তুতির ছবিটা অবশ্য স্কোরকার্ডেই ফুটে উঠেছে। ৪২ রানে ৪ উইকেট শিকার করেছেন এই সুইং বোলার। দুটি করে উইকেট নেওয়া তাসকিন আহমেদ ও মেহেদী হাসান মিরাজকেও রাখা যায় তার পাশে। কিন্তু সৈয়দ খালেদ আহমেদ, ইবাদত হোসেন চৌধুরি, মুশফিক হাসানদের বোলিং ফিগারে জুতসই প্রস্তুতির ছাপ নেই।
ডারউইনে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২৬৩ রানের জবাবে এক পর্যায়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার রান ছিল ৫ উইকেটে ১৩৯। সেখান থেকে তারা শেষ পর্যন্ত রান করে ফেলে ৩৫৫। দিনের খেলা শেষে বিসিবির ভিডিও বার্তায় তবু বোলিং নিয়ে সন্তুষ্টির কথাই শোনা গেল হাসানের কণ্ঠে। ‘সব মিলিয়ে আমার মনে হচ্ছে, খুবই ভালো শুরু করেছি। বোলাররা খুবই ভালো লাইন ও লেংথ বজায় রেখে বোলিং করেছে। এখানকার কন্ডিশন খুবই ভালো, বাউন্স এবং সুইং হচ্ছে।
বোলিংয়ে দিক থেকে বলতে গেলে, বোলিং ইউনিট হিসেবে আমরা সবাই ভালো বোলিং করার চেষ্টা করেছি।’
গত জুন-জুলাইয়ে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপ ও টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে কেন্টের হয়ে খেলেছেন হাসান। সেখান থেকে এখন আছেন অস্ট্রেলিয়ার নর্দান টেরিটরিতে। দুনিয়ার দুই প্রান্তের দুটি জায়গার কন্ডিশনে যথেষ্টই মিল খুঁজে পেয়েছেন হাসান।
কাউন্টিতে দুই ম্যাচে ১২ উইকেট শিকার করেছিলেন তিনি, খারাপ করেননি টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টেও। ডারউইনেও একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করেছেন, জানালেন ২৬ বয়সী পেসার। ‘আমি বিশেষ করে লন্ডনে, ইংল্যান্ডের কন্ডিশন ও অস্ট্রেলিয়ার (ডারউইন) কন্ডিশন, দুটিকেই বলব একই ধরনের কন্ডিশন। আমি দুটিতেই বোলিং করতে অনেক উপভোগ করি। চেষ্টা করি, লাইন ধরে রেখে, সুইং যাতে থাকে এবং নতুন বলে যদি দ্রুত উইকেট পাই, সেই মানসিকতা নিয়েই বোলিং করি। চেষ্টা করেছি (এই ম্যাচে) সেটা বজায় রাখার।’ প্রথম ইনিংসে ৯২ রানে পিছিয়ে থাকা বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছে ২ উইকেটে ১৯ রানে।