
বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের কোচ টমাস ডুলির কাছে সাফল্যের মূলমন্ত্র দলীয় ঐক্য, ইতিবাচক মানসিকতা ও খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা। সমালোচনা কিংবা নেতিবাচক আলোচনা নয়, মাঠের লড়াইয়ে মনোযোগ দিতে চান তিনি। খেলোয়াড়দের মানসিক চাপের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সবার কাছ থেকে ইতিবাচক সমর্থনও প্রত্যাশা করছেন এই কোচ। গতকাল বুধবার ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুশীলন শুরুর আগে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডুলি। ভুটান ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচ দুটিতে নিজেদের সেরাটা দেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন তিনি। সব ম্যাচেই জয় পাওয়াকে দলের লক্ষ্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন এই কোচ। সম্প্রতি বাংলাদেশের পারফরম্যান্স ও খেলোয়াড়দের ওপর তার আস্থা নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি খবরের প্রসঙ্গও তোলেন ডুলি। হামজাকে ছাড়া ভুটানকে হারানো সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়েই তার খেলোয়াড়দের প্রতি আস্থার বিষয়টি স্পষ্ট করেন তিনি। খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রেখেই ডুলি বলেন, 'খেলোয়াড়রাও মানুষ, কোনো রোবট নয় যে প্রোগ্রাম করে দিলেই খেলতে পারবে। তাদেরও মানসিক চাপ থাকে। ম্যাচে চাপের কারণে ভুল হতে পারে, প্রতিপক্ষ গোলও করতে পারে। তাই প্রতিটি ভুলের জন্য কোচকে দায়ী করা যায় না। বিশ্বাস করি, খেলোয়াড়দের ওপর আস্থা রেখে ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি করতে পারলেই ভালো ফল পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়বে।'দলের প্রস্তুতি নিয়েও সন্তুষ্ট ডুলি। ফ্লাডলাইটের আলোয় আগের দিনের অনুশীলন ভালো হয়েছে বলে জানান তিনি। তবে চোটের কারণে খেলোয়াড়দের ব্যবহারের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হচ্ছে কোচিং স্টাফকে। বিশ্বনাথের হ্যামস্ট্রিংয়ের সমস্যা নিয়ে বিশেষভাবে সতর্ক ডুলি। অনুশীলন ও ম্যাচে সর্বোচ্চটা দেওয়া এই ফুটবলার আবার চোটে পড়লে দলের জন্য সমস্যা তৈরি হতে পারে। সে কারণে বিকল্প হিসেবে তাজউদ্দীন ও আবদুল্লাহ শিবলিকে অনুশীলনে যুক্ত করা হয়েছে। ভালো পারফর্ম করতে পারলে তাদের মূল দলেও সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোচিং স্টাফের সদস্যদের নিয়েও সন্তুষ্ট ডুলি। পদত্যাগের পর আবার ফিরে আসা হাসান-আল-মামুনকে স্বাগত জানিয়েছেন তারা। দলের বর্তমান পরিস্থিতিতে সমন্বিত প্রচেষ্টাকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি। দীর্ঘ ৪৪ বছরের বেশি সময় ফুটবলের সর্বোচ্চ পর্যায়ে কাজ করার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে ডুলি বলেন, 'সাফল্যের জন্য সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।