অনলাইন সংস্করণ
১১:৩১, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
না, হাসান মাহমুদ পারেননি! বল হাতে নিজের কাজটা করতে পারলেও ব্যাটিংয়ে কেন্টের হয়ে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। ফলাফল? ডার্বিশায়ারের কাছে কেন্টের হার। ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে ডিভিশন টু–তে চার দিনের এ ম্যাচে ডার্বিশায়ারের কাছে কেন্ট হেরেছে ১৮১ রানে।
ডার্বিতে ম্যাচটি জিততে হাসানের কেন্টের দরকার ছিল ৪৩৪ রান। ৩৮ রানে প্রথম ৫ উইকেট হারিয়ে কেন্ট ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে যায়। তখন ড্রয়ের জন্য খেলা ছাড়া আর কোনো উপায়ও থাকে না!
হাসান গতকাল উইকেটে যান ১০ নম্বর ব্যাটসম্যান হিসেবে, দিনের খেলা শেষ হতে তখনো বাকি ছিল ২২ ওভারে। বার্টি ফোরম্যানের সঙ্গে ১০৫ বলে ৩৩ রানে জুটি গড়ে দলকে ড্রয়ের পথেই নিয়ে যাচ্ছিলেন বাংলাদেশের এ পেসার।
দলীয় ২৫১ রানে দিনের ২৭ বল বাকি থাকতে এলবিডবলুর শিকার হন ফোরম্যান। ব্যাট করতে নামেন আরেক বাংলাদেশি পেসার খালেদ আহমেদ। এ জুটি দিনের খেলা শেষ করতে পারলে সেটা কেন্ট এবং হাসান-খালেদের জন্য দারুণ কিছুই হতো!
কিন্তু দিনের ১৫ বল বাকি থাকলে ব্রেট রানডেলের বাউন্সারে ক্যাচ তুলে দেন হাসান। শেষ হয় তাঁর ৪৮ বলে ৯ রানের লড়াকু ইনিংস।
ডার্বিশায়ারের বিপক্ষে ড্র করতে পারলে কেন্টের জন্য তা হতো জয়ের সমান। কারণ, ড্র করলে কাউন্টি ডিভিশন টুতে পয়েন্ট তালিকায় দুইয়ে উঠত কেন্ট। দুই ম্যাচ হাতে রেখে দলটি ১৭৩ পয়েন্ট নিয়ে এখন তৃতীয়।
কাউন্টি ডিভিশন ওয়ানে উঠবে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষ দুই দল। এই মুহূর্তে শীর্ষে থাকা দুই দল ডারহাম (২৩০), নর্থহ্যাম্পটনশায়ার (১৭৫)। চলতি মৌসুমে এটা কেন্টের দ্বিতীয় হার।
কেন্টের হারে অবশ্য হাসানের দায় নেই। কারণ, ম্যাচ বাঁচানোর দায়িত্বটা ছিল ব্যাটসম্যানদের। হাসান তাঁর আগেই নিজের কাজটা সেরেছেন দারুণভাবে। ম্যাচে নেন ৭ উইকেট। ব্যাটিংয়ে তাঁর ৪৮ বল খেলাটা কেন্টের জন্য এক অর্থে 'বোনাস'।
সব মিলিয়ে কেন্টের হয়ে চার ম্যাচ খেলা হাসানের উইকেট এখন ২৬টি। অভিষেক ম্যাচে খালেদ পেয়েছেন ৩ উইকেট। সব কটিই পেয়েছেন প্রথম ইনিংসে। কেন্টের পরের ম্যাচ ১৫ সেপ্টেম্বর, ল্যাঙ্কশায়ারের বিপক্ষে।