
‘পরিবর্তনশীল পৃথিবীতে এগিয়ে যাওয়ার জন্য উদ্ভাবনী শক্তির বিকল্প নেই’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বর্ণাঢ্য আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে হাল্ট প্রাইজ ২০২৫-২৬ ক্যাম্পাস প্রোগ্রামের চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের অডিটোরিয়ামে এর গ্র্যান্ড ফিনালে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রতিযোগিতায় উদ্ভাবনী ব্যবসায়িক পরিকল্পনা উপস্থাপনের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে ‘টিম চতুষ্কোণ’। এছাড়া প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার-আপ হয়েছে ‘টিম দ্য অপটিমিস্টিক’ এবং দ্বিতীয় রানার-আপ হওয়ার সাফল্য অর্জন করেছে ‘টিম মৌমাছি’।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তার প্রশংসা করে বলেন, তরুণ উদ্যোক্তারাই আগামীর বাংলাদেশের মূল চালিকাশক্তি। টেকসই উন্নয়নের জন্য এমন সামাজিক ব্যবসায়িক মডেল সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ তৈয়ুব চৌধুরী এবং হাল্ট প্রাইজ চবি’র উপদেষ্টা ও চবি অফিস ফর ইন্টারন্যাশনাল এ্যাফেয়ার্স-এর পরিচালক প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন।
আরও উপস্থিত ছিলেন হাল্ট প্রাইজ বাংলাদেশের ন্যাশনাল কো-অর্ডিনেটর আমিনুল ইসলাম শরীফ, ন্যাশনাল কমিউনিটি কো-অর্ডিনেটর মো. আবিদ শাহরিয়া এবং চাকসুর জিএস সাঈদ বিন হাবিব, এজিএস আইয়ুবুর রহমান তৌফিক ও গবেষণা ও উদ্ভাবন সম্পাদক তানভীর আনজুম শোভন।
প্রতিযোগিতার বিচারক প্যানেলে দায়িত্ব পালন করেন গ্রামীণফোনের আঞ্চলিক প্রধান মোহাম্মদ মিনহাজ উল আলম, সোনালী বাংলাদেশ ইউকে লিমিটেডের (চট্টগ্রাম জোন) আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিক্রয় বিভাগের প্রধান আরিফ ইফতেখার এবং এন. মোহাম্মদ গ্রুপের সিএফও মোহাম্মদ ফারমান তোয়ুব। বিচারকগণ মূলত অংশগ্রহণকারী দলগুলোর ব্যবসায়িক ধারণা, সামাজিক প্রভাব, টেকসই এবং বাস্তবায়নযোগ্যতার ওপর ভিত্তি করে বিজয়ী নির্বাচন করেন।
উল্লেখ্য, হাল্ট প্রাইজ প্রতি বছর জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (SDG) সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি থিম নির্ধারণ করে। ২০২৫-২৬ সালের থিম ছিল “আনলিমিটেড” (Unlimited), যা বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে তরুণদের নতুন ও সীমাহীন সম্ভাবনা অনুসন্ধানে অনুপ্রাণিত করে। ক্যাম্পাস রাউন্ডের এই বিজয়ীরা এখন পরবর্তী আন্তর্জাতিক আঞ্চলিক পর্বে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবে। জাতীয় সংগীত পরিবেশন এবং পবিত্র ধর্মগ্রন্থসমূহ (কুরআন, গীতা, বাইবেল ও ত্রিপিটক) পাঠের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়।