
চট্টগ্রাম বন্দরে ডাকা শ্রমিক ধর্মঘটের দ্বিতীয় দিনে বন্দরের নিয়মিত কার্যক্রমে অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। বন্দরে সবচেয়ে আধুনিক হ্যান্ডলিং ইকুইপমেন্টে সমৃদ্ধ এনসিটি বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়া বন্ধের দাবিতে শ্রমিকদের দ্বিতীয় দিনের এ কর্মসূচি চলছে।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকালটা থেকে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
এতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্যের ডেলিভারি, কনটেইনার হ্যান্ডলিং, বন্দরের ভেতরে পণ্যবাহী গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা। তবে বহির্নোঙরে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে পণ্য খালাস স্বাভাবিক রয়েছে।
বারিক বিল্ডিং থেকে সল্টগোলা পর্যন্ত সরেজমিন দেখা গেছে, বারিক বিল্ডিং এলাকায় স্ক্র্যাপবাহী গাড়ির জট লেগেছে। বন্দরের গেইটগুলো খোলা। গাড়ি প্রবেশ করছে না, বেরও হচ্ছে না। অলস সময় কাটাচ্ছেন বন্দরের নিরাপত্তারক্ষী ও পুলিশ সদস্যরা।
বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. ইব্রাহিম খোকন বলেন, পূর্বঘোষণা অনুযায়ী আমাদের কর্মসূচি চলছে। সিএমপির নিষেধাজ্ঞার কারণে আজ বন্দর এলাকায় আমরা মিছিল সমাবেশ দিইনি। তবে বন্দর এলাকার বাইরে আমরা মিছিল সমাবেশ করবো।
বন্দরে দুইদিন আট ঘণ্টা করে অচলাবস্থা তৈরি হওয়ায় উদ্বেগ জানিয়েছেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বন্দর কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদের সমন্বয়ক মো. হুমায়ুন কবীরসহ চারজনকে ঢাকার পানগাঁও আইসিটিতে বদলি করেছে।