
বেনাপোল–পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে আবারও শুরু হয়েছে আমদানি–রপ্তানি। আজ মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল থেকে ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়। ফলে বন্দরে ফিরে এসেছে কর্মচাঞ্চল্য।
এর আগে, গত মঙ্গলবার থেকে সোমবার পর্যন্ত টানা সাত দিন ঈদের ছুটিতে বন্দর বন্ধ ছিল। সকাল থেকে বন্দরে পণ্য লোড–আনলোডের জন্য তিন হাজার শ্রমিক কাজে যোগদান করেছেন।
বেনাপোল বন্দরের আমদানি–রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মহসিন মিলন জানান, আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হওয়ায় বন্দরে আবারও কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ব্যবসায়ী, সিএন্ডএফ এজেন্ট, বন্দর ও কাস্টমসের কর্মকর্তা–কর্মচারী এবং শ্রমিকরা পণ্য খালাসে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
লম্বা ছুটির কারণে সীমান্তের দু–পাশে সৃষ্টি হয়েছে পণ্যজট। আজ সকাল থেকে আমদানি–রপ্তানি কার্যক্রম ও পণ্য খালাস শুরু হওয়ায় কমতে শুরু করবে পণ্যজট।
বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে আমদানি–রপ্তানি শুরু হয়েছে। দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভারত থেকে ৫৮ ট্রাক পণ্য আমদানি এবং ২৪ ট্রাক পণ্য ভারতে রপ্তানি হয়েছে।
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাখাওয়াত হোসেন জানান, আমদানি–রপ্তানি টানা সাত দিন বন্ধ থাকলেও দুদেশের মধ্যে পাসপোর্টধারী যাত্রী যাতায়াত অন্যান্য দিনের মতোই স্বাভাবিক ছিল।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক শামীম হোসেন জানান, ঈদের ছুটিতে বেনাপোল বন্দরে আমদানি–রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ ছিল। এ সময় ভারত থেকে কোনো পণ্য আমদানি হয়নি। মঙ্গলবার ছুটি শেষে আবারও দুদেশের মধ্যে আমদানি–রপ্তানি বাণিজ্য শুরু হয়েছে। বন্দরের কর্মকর্তা–কর্মচারীরা যারা ছুটিতে গিয়েছিলেন, তারা সবাই কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।
ব্যবসায়ীরা যাতে বন্দর থেকে আমদানি পণ্য দ্রুত খালাস নিতে পারেন, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।