
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ব্র্যাক ব্যাংক ‘অপরাজেয় তারা’ বৃত্তি নিয়ে এক মতবিনিময় সভা সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকাল ৩টায় উপাচার্য দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-ফোরকান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান ও উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন।
উপাচার্য বৃত্তির সম্পর্কে যাবতীয় খোঁজখবর নেন এবং প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ কমিউনিকেশন অফিসার ইকরাম কবীর মাননীয় উপাচার্যকে বৃত্তির বিভিন্ন বিষয়ে অবহিত করেন। উপাচার্য এ ধরনের উদ্যোগের জন্য ব্র্যাক ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান।
তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীরা এ বৃত্তির মাধ্যমে আর্থিকভাবে সহায়তা পাবে, যা তাদের শিক্ষাজীবনকে মসৃণ করতে ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, ব্র্যাক ব্যাংকের এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। তিনি উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান সবাইকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, এ বৃত্তি শিক্ষার্থীদের খুবই উপকারে আসবে এবং সহযোগিতার এ ধারা অব্যাহত থাকুক। উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, ব্র্যাক ব্যাংকের এ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। এর মাধ্যমে ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা হবে এবং তারা দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ কমিউনিকেশন অফিসার ইকরাম কবীর জানান, গত বছর থেকে এ বৃত্তি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান রয়েছে। এ বৃত্তির মাধ্যমে প্রতি বছরে ১ম বর্ষে ভর্তি হওয়া ১৫০ জন ছাত্রী আর্থিকভাবে সহায়তা পাবেন। এ বৃত্তির স্থায়িত্ব দুই বছর।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চবি রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. ইকবাল শাহীন খান, হিসাব নিয়ামক দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল হোসেন, হিসাব নিয়ামক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আমিরুল ইসলাম, ব্র্যাক ব্যাংকের চিফ কমিউনিকেশন অফিসার ইকরাম কবীর, ব্র্যাক ব্যাংক চট্টগ্রাম রিজিওনাল প্রধান মো. শহীদুল ইসলাম খান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ অঞ্চলের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার মোসাম্মৎ তাসলিমা, চট্টগ্রাম রিজিওন সাউথ জোনের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার জীতেন দাশ ও রুবেল সাহা, সিএসআর প্রোগ্রামস কমিউনিকেশন অফিসার হান্না আনব্রীন ও তারান্নুম মুসতারী।