ঢাকা বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

চাঁদপুরে রাইস মিল নিয়ে সতর্কতা, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

চাঁদপুরে রাইস মিল নিয়ে সতর্কতা, ৭ দিনের আল্টিমেটাম

চাঁদপুরে রাইস মিলের ছাই উড়া ও ধানের তুষ নদীতে ফেলা বন্ধে মালিকদের সঙ্গে পরিবেশ অধিদপ্তরের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করেন চাঁদপুর পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) সকাল ১১টায় শহরের স্টেডিয়াম রোডে অবস্থিত পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এ সভা হয়।

সভায় তিনি বলেন, নদী ও খাল দূষণ বন্ধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। কোনো অবস্থাতেই রাইস মিলের তুষ নদীতে ফেলা যাবে না। নদীতে ছাই ও তুষ ফেলার ফলে পানিদূষণ বাড়ছে এবং জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে।

একই সঙ্গে ছাই উড়ে যাওয়ার বিষয়েও সতর্ক থাকতে হবে, কারণ অতীতে এ কারণে অনেকেই চোখের ক্ষতির শিকার হয়েছেন।

তিনি আরও জানান, নদীতে তুষ ফেলার একাধিক প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে। পরিদর্শনে গিয়ে ১৩টি মিলের মধ্যে ৫টি চালু অবস্থায় পাওয়া গেছে। সভার পর আগামী ৭ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নয়ন বিষয়ে হালনাগাদ তথ্য জানাতে মালিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক শরমিতা আহমেদ লিয়া, অটো রাইস মিল সমিতির সভাপতি আব্দুর রহিম, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল ইসলাম কিশোরসহ বিভিন্ন রাইস মিলের মালিক ও প্রতিনিধিরা।

সভায় রাইস মিল মালিকরা জানান, চাঁদপুরের অধিকাংশ মিল অনেক আগে প্রতিষ্ঠিত, যখন পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যক্রম তেমন ছিল না। সে সময় পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে মিলগুলো পরিচালিত হতো।

তারা স্বীকার করেন, কিছু ক্ষেত্রে ছাই উড়ে, তবে তা নিয়ন্ত্রণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাশাপাশি নদীতে তুষ ফেলা বন্ধে অধিদপ্তরের নির্দেশনা মেনে চলার প্রতিশ্রুতিও দেন তারা।

মালিকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের সমিতিভুক্ত মিল রয়েছে ১২টি এবং এর বাইরে ময়নামতি ও শামীমা নামের দুটি মিল সমিতির আওতাভুক্ত নয়।

৭ দিনের আল্টিমেটাম,সতর্কতা,রাইস মিল,চাঁদপুর
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত