
পাবনা শহরের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় মাত্র ২ ঘণ্টার ব্যবধানে দুজনকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার (৯ জুন) ময়নাতদন্ত শেষে লাশ দুটি পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর আগে সোমবার বিকেল থেকে রাত ৮টার মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে এক ব্যক্তিকে গুলি করে এবং এক কলেজছাত্রকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়।
গুলিতে নিহত হোসেন আলী (৫৫) পাবনা সদর উপজেলার গয়েশপুর জাফরাবাদ গ্রামের বাসিন্দা। অপরদিকে ছুরিকাঘাতে নিহত মনিরুল ইসলাম (২২) সাঁথিয়া উপজেলার শিবরামপুর পশ্চিমপাড়া গ্রামের মুন্নাফ আলীর ছেলে। তিনি পাবনা সরকারি এডওয়ার্ড কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা পৌর এলাকার জামিয়া আশরাফিয়া মাদ্রাসায় ছেলেকে রাখতে গিয়েছিলেন হোসেন আলী। সেখানে দুর্বৃত্তরা তাকে গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।
অপরদিকে ছুরিকাঘাতের ঘটনাটি ঘটে বিকেলে পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের পেছনে। পুলিশ জানায়, পূর্ববিরোধের জেরে বিকেলে বাস টার্মিনাল এলাকায় রাকিব নামের এক তরুণের সঙ্গে মনিরুলের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রাকিব মনিরুলকে ছুরিকাঘাত করেন। এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে রাকিব দৌড়ে গিয়ে পাশের একটি পুকুরে ঝাঁপ দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে।
এদিকে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত মনিরুলকে উদ্ধার করে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
পাবনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারিকুল ইসলাম বলেন, নিহত দুজনের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দুটি হত্যাকাণ্ডের কারণ এখনো জানা যায়নি। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।