ঢাকা শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

পাবনায় ধর্ষণের অভিযোগে ব্যবস্থাগ্রহণ ও ওসির অপসারণ দাবি

পাবনায় ধর্ষণের অভিযোগে ব্যবস্থাগ্রহণ ও ওসির অপসারণ দাবি

তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে পাবনা প্রেসক্লাবের সম্পাদক, জেলা বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক এবং বাসস ও আমার দেশের পাবনা প্রতিনিধি জহুরুল ইসলামের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। একইসঙ্গে মামলা গ্রহণ না করে আলামত গায়েবের অপচেষ্টার অভিযোগে পাবনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলামকে অপসারণের দাবিও জানিয়েছেন বক্তারা।

শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় পাবনা প্রেস ক্লাবের সামনে ‘সচেতন পাবনার নারী সমাজ ও পাবনাবাসী’র ব্যানারে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, অভিযুক্ত সাংবাদিক জহুরুল ইসলাম ক্ষমতার অপব্যবহার করে যে জঘন্য অপরাধ সংঘটিত করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে, তা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। বক্তাদের দাবি, জহুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিকবার নারী কেলেঙ্কারির অভিযোগ উঠেছে।

একইসঙ্গে পাবনা সদর থানার ওসি তারিকুল ইসলামের ভূমিকা নিয়েও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন বক্তারা। তারা অভিযোগ করেন, কোনো ভিকটিম অভিযোগ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী পুলিশের মেডিকেল পরীক্ষা ও আলামত সংগ্রহের কথা। কিন্তু ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মামলা করতে থানায় গেলেও ওসি মামলা না নিয়ে উল্টো অপরাধের আলামত গায়েবের অপচেষ্টায় লিপ্ত হন বলে অভিযোগ করেন তারা। একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার এমন ভূমিকা বিচারব্যবস্থাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে বলেও মন্তব্য করেন বক্তারা।

মানববন্ধন থেকে ওসি তারিকুল ইসলামকে অবিলম্বে পদ থেকে অপসারণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। দাবি পূরণ না হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন বিক্ষোভকারীরা।

কর্মসূচিতে পাবনার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, নারী অধিকারকর্মী ও সচেতন নাগরিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে, গত মঙ্গলবার দুপুরে সেলাই মেশিন দেওয়ার কথা বলে এক নারীকে পাবনা শহরের খেয়াঘাট পাড়া এলাকার ‘খন্দকার টাওয়ারে’ জহুরুল ইসলামের নিজস্ব ফ্ল্যাটে ডেকে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ করা হয়। সেখানে জহুরুল ইসলাম তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জহুরুল ইসলাম পাবনা-৫ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (পিএস) হিসেবে কাজ করছেন।

অপসারণ দাবি,ব্যবস্থাগ্রহণ,ধর্ষণের অভিযোগ,পাবনা
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত