
কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ‘দেশ-দেশ, বাংলাদেশ’, ‘ধর-ধর লীগ ধর, ধইরা-ধইরা জবাই কর’ এবং ‘ধর-ধর লীগ ধর, ধইরা-ধইরা জেলে ভর’সহ বিভিন্ন স্লোগানে রংপুরে জেলা ও মহানগর যুবদলের পৃথক বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১২টার দিকে রংপুর জেলা যুবদলের উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও রংপুর জেলা যুবদলের সভাপতি মো. নাজমুল আলম নাজুর সভাপতিত্বে ‘পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার’ প্রতিবাদে আয়োজিত মিছিলটি নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়স্থ বিএনপির দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু হয়।
মিছিলটি নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাকিব হোসেন, সহ-সভাপতি তারেক হাসান সোহাগ ও আনোয়ার হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিপ্লব রায়, সহ-সাধারণ সম্পাদক তামজিদুল ইসলাম গালিব, মাহামুদুল হাসান রানাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
অপরদিকে, একই সময়ে রংপুর মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। নগরীর গ্র্যান্ড হোটেল মোড়স্থ বিএনপি কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে টাউন চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক নুরুন্নবী চৌধুরী মিলনের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট মাহফুজ উন নবী ডন। এ সময় সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহির আলম নয়ন, যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াহেদ মুরাদ, সদস্য সচিব আতিকুল ইসলাম লেলিনসহ মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশের অধিকাংশ মানুষ ভোট দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে ক্ষমতায় বসিয়েছে এবং বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী করেছে। তাদের দাবি, এ সময় ‘ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ’ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, পতিত আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা দেশের বিভিন্ন স্থানে হত্যা, খুন, ধর্ষণ, জ্বালাও-পোড়াও ও ভাঙচুরের মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করছে। দেশের কিছু ব্যবসায়ী এসব কর্মকাণ্ড পরিচালনায় অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করছে বলেও তারা দাবি করেন।
নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা। অন্যথায় তারা নিজেরাই ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলেও সমাবেশ থেকে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।