
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৯টি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মেয়াদ চলতি ২০২৬ সালের ডিসেম্বর মাসে শেষ হচ্ছে। এসব ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর।
মেয়াদ শেষ হওয়ার সময় ঘনিয়ে আসায় ইতোমধ্যে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে একাধিক ব্যক্তি আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করে সীমিত পরিসরে গণসংযোগ শুরু করেছেন। সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সূত্র জানায়, উপজেলার চৈত্রকোল, ভেন্ডাবাড়ী, বড়দরগাহ, কুমেদপুর, মদনখালী, টুকুরিয়া, শানেরহাট, চতরা ও কাবিলপুর ইউনিয়নে ২০২১ সালের ১১ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচিতরা শপথ নেওয়ার পর টুকুরিয়া ইউনিয়ন ছাড়া বাকি আটটি ইউনিয়ন পরিষদের প্রথম সভা ওই বছরের ডিসেম্বরেই অনুষ্ঠিত হয়।
বিধি অনুযায়ী, প্রথম সভার তারিখ হিসাব করে চলতি বছরের ডিসেম্বরেই ওই আটটি ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও সদস্যদের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। আর টুকুরিয়া ইউনিয়নের নির্বাচিতদের প্রথম সভা ২০২২ সালের ২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হওয়ায় তাদের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি।
অন্যদিকে, বড়আলমপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় এবং নির্বাচিতদের প্রথম সভা হয় একই বছরের ৯ জুন। সে হিসেবে এ ইউনিয়নের নির্বাচিতদের মেয়াদ শেষ হবে ২০২৭ সালের ৮ জুন।
পীরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে রায়পুর, পীরগঞ্জ, মিঠিপুর ও রামনাথপুর—এই চার ইউনিয়নের নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টে মামলা চলমান রয়েছে।
এদিকে ইউপি নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসায় পীরগঞ্জের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিশেষ করে বিএনপি ও জামায়াতের একাধিক নেতা-কর্মী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যাশায় সীমিত পরিসরে গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছেন। এ নিয়ে ভোটারদের মধ্যেও অনেকটা নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।