
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে নিলামে বিক্রি হওয়া গাছের সঙ্গে নিলাম তালিকায় না থাকা একটি বড় কাঁঠাল গাছ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক কর্মীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় স্থানীয় প্রশাসনকে অবহিত করেছেন বন বিভাগের কর্মকর্তা।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভূরুঙ্গামারী উপজেলা পরিষদ চত্বর ও নির্মাণাধীন মডেল মসজিদ এলাকায় বিভিন্ন সময়ে ঝরে পড়া এবং সংরক্ষিত বিভিন্ন প্রজাতির গাছের গুঁড়ি গত ৩০ আগস্ট সকাল ১১টায় উপজেলা সম্মেলন কক্ষে নিলামে তোলা হয়।
নিলামে দেওয়ানেরখামার গ্রামের মোস্তফা ভান্ডারীর ছেলে ও যুবদল কর্মী হারুন ৭৬ হাজার ২৫০ টাকায় গাছগুলো নিলামে নেন।
নিয়ম অনুযায়ী, নিলামে ক্রয় করা মালামাল পাঁচ দিনের মধ্যে অপসারণ করে নিয়ে যাওয়ার কথা। তবে বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে উপজেলা পুকুরে থাকা নিলাম তালিকায় উল্লেখ না থাকা একটি বড় কাঁঠাল গাছও হারুন নিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
গাছটির বাজারমূল্য প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা বলে জানা গেছে। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী বন বিভাগের কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম বলেন, পুকুর থেকে যে বড় কাঁঠাল গাছটি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, সেটি নিলামের তালিকায় ছিল না। বিষয়টি তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছেন। ইউএনও বিষয়টি দেখবেন বলে তাকে জানিয়েছেন।
তবে এ বিষয়ে অভিযুক্ত হারুনের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমৃত দেব নাথ বলেন, “তালিকাভুক্ত নয়—এমন কোনো গাছ কেউ নিয়ে থাকলে বিধিমোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
স্থানীয়দের অভিযোগ, নিলামে অন্তর্ভুক্ত নয় এমন কোনো সরকারি গাছ ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। এ ঘটনায় নিলাম সংক্রান্ত কাগজপত্র যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।